বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাভার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ বুধবার ভোর রাতে সাভারের হেমায়েতপুর আর্জেন্টপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষক কাউছার ইসলাম শাহীনকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার কাউছার ইসলাম শাহীন পিরোজপুর জেলার ভান্ডারীয়া থানার হেতালিয়া চরখালী গ্রামের হাফেজ আব্দুস ছালামের ছেলে। সে হেমায়েতপুর আর্জেন্টপাড়া এলাকার আসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একই ফ্ল্যাটের মধ্যে আলাদা আলাদা কক্ষে থাকার সুবাদে ভুক্তভোগী তরুণীর সাথে শাহীনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ সময় দীর্ঘ সাত মাস ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায়ই শাহীন তাকে ধর্ষণ করে আসছিল। এরই মধ্যে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী।
পরে বিষয়টি পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে তারা শাহীনকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু শাহীন কোন ভাবেই বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ঘটনাটি জানিয়ে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই তরুনী।
পরে বৃহস্পতিবার ভোররাতে আসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাহীনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ধর্ষক কাউছার ইসলাম শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগকারী তরুণীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।