বিশ্ববাসীর জন্য ২০২০ সাল হতে যাচ্ছে চমকের বছর। প্রথমবারের মতো পৃথিবীর মানুষ উড়ুক্কু ট্যাক্সি দেখতে পাবেন। ভার্টিক্যাল টেইক অব অ্যান্ড ল্যান্ডিং (ভিটিওএল) নামে ইলেকট্রিক এই ভোলোকপ্টারটি সম্প্রতি গ্রিনটেক উৎসবে প্রদর্শিত হয়।
ফর্মুলা ওয়ান ওয়ার্ল্ডের সাবেক চ্যাম্পিয়ন নিকো রোসবার্গের মস্তিষ্কপ্রসূত এই উৎসবে ভোলোকপ্টারটির উদ্বোধন করা হয়। সিএনএনকে নিকো জানান, আগামী বছরই এই কপ্টারটি বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আনা হবে। শুরুর দিকে দুবাই, সিঙ্গাপুর ও জার্মানিতে এই কপ্টারের সেবা পাওয়া যাবে।
এই কপ্টার নগরজীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে তিনি জানান। ব্যস্ত নাগরিক জীবনে আকাশপথ ব্যবহার করে চলাচল সহজ হয়ে যাবে। এই কপ্টার সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে।
শহর ও নগরাঞ্চলে ‘ভোলো হাব’ এবং ‘ভোলো পোর্ট’ থাকবে। এই হাব থেকে কপ্টারটি ব্যাটারি চার্জ ও পরিবর্তন করতে পারবে। ভোক্তার চাহিদা অনুসারে ব্যক্তি ছাড়াও মালামাল বহন করা যাবে ভোলোকপ্টারে। ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে কপ্টারটি নির্মাণে। আগামী দশ বছরের মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় এক লাখ যাত্রী বহনের সেবা দিতে পারবে এই কপ্টার।
নির্মিত এই কপ্টারটি এখন ২৭ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত দুজন ব্যক্তিকে বহনে সক্ষম। চলাচলের সময় এতে তেমন কোনো শব্দ এবং কার্বন নির্গমন হয় না। রোজবার্গের মতে, ‘অনেকেই মনে করতে পারেন যে এই ট্যাক্সি সুবিধা শুধু ধনীদের জন্য। কিন্তু আমরা নিশ্চয়তা দিতে চাই, সাধারণ মানুষও এই সেবা নিতে পারবে। বর্তমানে ট্যাক্সিতে যেতে যে অর্থের প্রয়োজন হয় সেই একই অর্থ নেওয়া হবে এই সেবাতেও।’