সাভারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও কর্র্তৃপক্ষের অবহেলায় এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের অভিযোগ পাওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার হাসপাতালটির বিপণনকর্মী সামসুন্নাহারকে আটক করে পুলিশ।
এর আগে গত সোমবার বিকেলে সাভার থানা স্ট্যান্ড এলাকার পলাশ হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তানিয়া খাতুন (২০) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানার কর্মী এবং স্বামী আজিজুল হাকিমের সঙ্গে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী এলাকায় ভাড়া থাকতেন। আটক সামসুন্নাহার মাদারীপুর জেলার সদর থানার পাঁচখোলা গ্রামের গোলাম হোসেনের স্ত্রী।
নিহতের স্বামী আজিজুল হাকিম অভিযোগ করেন, ‘সুস্থ অবস্থায় আমার স্ত্রীকে সিজারের জন্য পলাশ হাসপাতালে নিয়ে যাই। এ সময় হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ আমার অনুপস্থিতিতেই তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী নিস্তেজ হয়ে পড়লে হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে আমাদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু ঢাকা মেডিকেলে আনার পর দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তানিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে পলাশ হাসপাতালের মালিক ডা. সৈয়দ মোকাররম হোসেন পলাশ বলেন, ‘এনেস্থেসিয়া দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি ঘটে। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টার পর প্রয়োজনীয় সাপোর্ট দিয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করি।’
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমজাদুল হক জানান, রোগীর স্বজনরা লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।