বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিভাবান লেখক মশিউল আলম সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন।
স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদান রাখা আরো তিন কীর্তিমানের সঙ্গে তিনি পাচ্ছেন ‘সিলেট মিরর পুরস্কার’।
প্রথম বছরে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত ৪ কীর্তিমানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
মশিউল আলমের পাশাপাশি এ বছর দৈনিক জাগরণ সম্পাদক ও পিআইবির চেয়ারম্যান আবেদ খান, শিক্ষায় পরিমল কান্তি দে এবং সংস্কৃতিতে নিজামউদ্দিন লস্করকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
২৬ জুলাই একটি অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বুধবার সিলেট নগরের একটি অভিজাত হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন সিলেট মিরর সম্পাদক আহমেদ নূর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুরস্কারের জন্য গঠিত জুরি বোর্ডের অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট এমাদউল্লাহ শহিদুল ইসলাম, বারাকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) গোলাম রাব্বানী চৌধুরী, বারাকা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মঞ্জুর কাদির এলিম।
আহমেদ নূর সিলেট মিরর পুরস্কারের নির্বাচন প্রক্রিয়া তুলে ধরে বলেন, ‘পুরস্কার প্রদানের জন্য খ্যাতিমান নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়। জুরি বোর্ডের সদস্য হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামাল আহমদ চৌধুরী ও সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এমাদউল্লাহ শহিদুল ইসলাম শাহিন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যারা এরইমধ্যে যারা জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তারা এই পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না। তাছাড়া মরণোত্তর পুরস্কারের জন্য কাউকে বিবেচনা করা হবে না।’
সিলেট মিরর পুরস্কারের প্রতিটির অর্থমূল্য পঞ্চাশ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রত্যেককে স্বীকৃতি-স্মারক, ক্রেস্ট, বরণ-উত্তরীয় দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।