২১ বছরেও যশোরের দৈনিক রানার সম্পাদক আর এম সাইফুল আলম মুকুল হত্যার বিচার হয়নি। আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার না পেয়ে হতাশ পরিবার ও সাংবাদিক মহল। গতকাল শুক্রবার তার স্মরণে কালো ব্যাজ ধারণ, শোকর্যালি, মুকুল স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। পরে যশোর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল হয়।
১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট রাত ১০টা ১০ মিনিটে যশোর শহর থেকে পত্রিকা অফিসে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ছোড়া বোমার আঘাতে সাইফুল আলম মুকুল নিহত হন। পরদিন তার স্ত্রী হাফিজা আক্তার শিরিন নির্দিষ্ট কাউকে অভিযুক্ত না করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি যশোর জোনের তৎকালীন এএসপি দুলালউদ্দিন আকন্দ তদন্ত শেষে ২২ জনকে অভিযুক্ত করে ১৯৯৯ সালের ২৫ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। কিন্তু বাদী এ চার্জশিটের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি পিটিশন দেন। একপর্যায়ে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রমই বাতিল করে দেন।
পরে শিরিন প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে প্রায় দুই বছর পর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয় এবং আদালতের নির্দেশে সিআইডি যশোর জোনের তৎকালীন এএসপি মাওলা বক্স অধিকতর তদন্তকরেন। ২০০৫ সালের ২১ ডিসেম্বর দুজনকে নতুন করে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন।