ধুলাবালির যন্ত্রণা

ধুলাবালির যন্ত্রণায় নাকাল নগরবাসী। চট্টগ্রাম শহরের অনেক রাস্তা ধুলাবালিতে ভরপুর। রাস্তায় বের হলেই মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। নগরীর সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সর্দি-কাশি ও ভাইরাস জ্বরের রোগীর সংখ্যা বেশি। কমবেশি প্রতিটি পরিবারের সদস্য এসব রোগের শিকার। দৈনন্দিন কাজকর্ম, ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত, সব কিছু গণপরিবহনে করতে হয়। সামর্থ্যবান স্বল্পসংখ্যক মানুষ নিজস্ব পরিবহনে যাতায়াত করে থাকেন। ৯৫ শতাংশ মানুষের যাতায়াত গণপরিবহনে। রাস্তায় বেরোলেই ধুলাবালির অসহনীয় যন্ত্রণা। একদিকে রাস্তার উন্নয়নের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি, অন্যদিকে ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে রাস্তার ধারে স্তূপ করে রাখা হয়। সময়মতো তা সরিয়ে না ফেলা, চারদিক থেকে আসা ধুলাবালি রাস্তায় এসে জমাট বাঁধা ইত্যাদি কারণে নগরবাসীর চলাচলে মারাত্মক যন্ত্রণা হয়। ধুলাবালিজনিত কারণে সব বয়সের নর-নারীর মধ্যে সর্দি-কাশি ও অ্যালার্জিজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীদের ধুলাবালি থেকে নিরাপদে চলাচলের পরামর্শ দিচ্ছেন। রাস্তা জনগণের চলাচলের মাধ্যম। রাস্তাকে জন ও যান চলাচলের উপযোগী রাখা সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এসব ব্যাপারে কর্র্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সুমন রায়হান, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম