বন্ধুর দেয়া 'স্পিড' পান করে ৪ জন হাসপাতালে

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় বন্ধুর দেওয়া এনার্জি ড্রিংক ‘স্পিড’ পান করে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে চারজন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আক্রান্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানায় রবিবার রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত নয়টায় উপজেলার কুরমাঘাট এলাকায়।

বিষক্রিয়ায় আক্রান্তরা হলেন- ভান্ডারীগাঁও গ্রামের মো. আফজল মিয়া (৩২), নবাব মিয়া (৪৫), কালাম মিয়া (২০), নেছার মিয়া (২৫)।

জানা যায়, শাহিন মিয়াসহ উল্লেখিত চারজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ অফিসে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। গল্প-গুজবের একপর্যায়ে শাহিন পার্শ্ববর্তী তাজ উদ্দিন মিয়ার দোকান থেকে ৩ টি স্পীড নিয়ে এসে পান করার জন্য অন্যদের দেয়। সেই স্পীড উপস্থিত চারজন ভাগ করে পান করার পর আফজলসহ তার বন্ধুরা বমি শুরু করেন। তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে স্থানীয়রা অসুস্থ কালাম মিয়া ও নেছার মিয়াকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং আফজল মিয়া ও নবাব মিয়াকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

আফজল মিয়া অভিযোগ করেন, স্পিডের বোতল গুলোর ছিপি খোলা অবস্থায় ছিল। শাহীন আমাদের প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সকলের অগোচরে স্পিডের বোতলের ছিপি খুলে তাতে বিষ মিশিয়ে খেতে দেয়।

অভিযুক্ত শাহিন মিয়া বন্ধুদেরকে স্পিড খাওয়ানোর কথা স্বীকার করলেও তাতে বিষ মেশানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে তিনি মনে করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম. এ. হান্নান বলেন, বিষ নয় ঘটনাটি ফুড পয়জনিং এর কারণে হতে পারে।

কমলগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক সবুজ মিয়া জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।