বাংলা একাডেমিতে সপ্তাহব্যাপী আয়োজন

‘লেখক শেখ হাসিনা’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে ‘লেখক শেখ হাসিনা’ শীর্ষক সপ্তাহব্যাপী আয়োজন সাজিয়েছে বাংলা একাডেমি। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা অনুষ্ঠান, শেখ হাসিনাকে নিবেদিত স্বরচিত কবিতাপাঠ, আবৃত্তি ও সংগীতানুষ্ঠান। এতে শেখ হাসিনা রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সপ্তাহব্যাপী প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। প্রদর্শনী চলবে ৯-১৫ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা। আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। ‘লেখক শেখ হাসিনা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কবি কামাল চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

স্বাগত ভাষণে হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল শেখ হাসিনার প্রথম বই ‘ওরা টোকাই কেন?’ ২০১৮ সালে তার প্রথম বই প্রকাশের ত্রিশ বছর পূর্ণ হলো। এ আয়োজন এক অর্থে শেখ হাসিনার লেখক জীবনের তিন দশক পূর্তিরও আনন্দ-উদ্যাপন।

‘লেখক শেখ হাসিনা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করে কবি কামাল চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, কিন্তু তারও আগে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির একনিষ্ঠ পাঠক হিসেবে তাকে আমরা জানি তার স্মৃতিকথায়। সাহিত্যের প্রতি প্রবল অনুরাগ ও অগ্রসর রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা, এ দুয়ের মিলিত প্রকাশ শেখ হাসিনার লেখকসত্তা, সেই সঙ্গে তার সৃজন ও মননচর্চার অভিজ্ঞান।  তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার লেখালেখিকে মোটা দাগে দুইভাগে বিভক্ত করা যায়। একটি আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা, যেখানে উঠে এসেছে তার গ্রাম-জীবন, শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি, পারিবারিক জীবন, পিতার অমøান স্মৃতিচারণ। অন্য অংশে তার রাজনৈতিক সামাজিক অর্থনৈতিক চিন্তা ও উন্নয়নদর্শন প্রতিফলিত। তার মানবিক অঙ্গীকার, উপলব্ধির সততা আর প্রকাশভঙ্গির সারল্য একজন সফল রাজনৈতিক নেতা ও রাষ্ট্রনায়কের পাশাপাশি তাকে পরিণত করেছে একজন দায়বদ্ধ লেখকে।