রবিউল হুসাইনকে শেষ শ্রদ্ধা বুধবার

শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সদ্য প্রয়াত কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইনের মরদেহ বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারওয়ার আলী।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মধ্য রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কীর্তিমান।

সারওয়ার আলী জানান, বুধবার সকাল ১০টায় রবিউল হুসাইনের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে বাংলা একাডেমিতে। তারপর সকাল সাড়ে ১০টায় সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট মরদেহ নিয়ে যাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

আরও জানান, রবিউল হুসাইনের দাফন মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে হতে পারে। সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

রবিউল হুসাইনের জন্ম ঝিনাইদহে। তিনি একাধারে স্থপতি, কবি, শিল্প-সমালোচক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক ও সংস্কৃতিকর্মী। তার লেখা উল্লেখযোগ্য বই হলো- কী আছে এই অন্ধকারের গভীরে, আরও উনত্রিশটি চাঁদ, স্থিরবিন্দুর মোহন সংকট, কর্পূরের ডানাঅলা পাখি, আমগ্ন কাটাকুটি খেলা, বিষুবরেখা, দুর্দান্ত, অমনিবাস, কবিতাপুঞ্জ, স্বপ্নের সাহসী মানুষেরা, যে নদী রাত্রির, বাংলাদেশের স্থাপত্য সংস্কৃতি  ইত্যাদি।

পেশা স্থাপত্যশিল্প হলেও সম্পৃক্ততা ছিল বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে। ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখায় ২০১৮ সালে একুশে পদক পান। এ ছাড়া বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, কবিতালাপ পুরস্কার, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার’সহ অসংখ্য স্বীকৃতি লাভ করেছেন রবিউল হুসাইন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষকও ছিলেন তিনি।

মৃত্যুকালে এক পুত্র সন্তান রেখে গেছেন রবিউল হুসাইন। তার স্ত্রী মারা গেছেন আগেই।