একুশে বইমেলায় পাঠকপ্রিয় তরুণ লেখক খায়রুল বাবুই নিয়ে আসছেন কিশোর গল্পের বই ‘ঘোড়ার ডিমের ছাই’। বইটিতে রয়েছে ভিন্ন স্বাদের আটটি গল্প। গল্পগুলোর শিরোনাম- তেলের তেলেসমাতি, ঘাসটা ফড়িং হয়ে উড়ে গেল, ভূত-রাজার বুদ্ধি, বুকশেলফটা হাসছে, অপেক্ষা, ৯ বড় নয়, ঘোড়ার ডিমের ছাই এবং মায়ের মুখ।
খায়রুল বাবুই বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরন ও আঙ্গিকের লেখা লিখছি। বড়দের পাশাপাশি নিয়মিত লিখছি শিশু-কিশোরদের জন্যও। রঙিন-স্বপ্নময় দুরন্ত শৈশব-কৈশোর কমবেশি আমাদের সবারই আছে। তাই ‘ঘোড়ার ডিমের ছাই’ বইটি সব বয়সের পাঠকের পাঠ-উপযোগী। কোনো গল্প পাঠকের ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে, কোনোটি শাণিত করবে বুদ্ধিকে আবার কোনোটি রঙিন করবে কল্পনার জগৎ।’
বইটির প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করেছেন কুতুবুল ইসলাম অভি। প্রকাশ করেছে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ। অনলাইনে ‘ঘোড়ার ডিমের ছাই’ পাওয়া যাবে www.rokomari.com-এ| অর্ডার করা যাবে ০১৫-১৯৫২-১৯৭১ এই নম্বরে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন থেকে নানা ধরন ও আঙ্গিকের লেখা লিখছেন খায়রুল বাবুই। বড়দের পাশাপাশি নিয়মিত লিখছেন শিশু-কিশোরদের জন্যও। তার জন্ম সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায়। বাবা মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। মা ছকিনা বেগম। পৈতৃক বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর গ্রামে। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট। সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর করেছেন। দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষ দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেলে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দর্শকপ্রিয় অনেক টিভি রিয়্যালিটি শো-র পরিকল্পনা ও গ্রন্থনা করেছেন তিনি। বর্তমানে সংবাদপত্র ও টেলিভিশন ঘিরেই চলছে পেশাগত ব্যস্ততা। লেখালেখির পাশাপাশি সমানতালে করছেন তথ্যচিত্র ও অনুষ্ঠান নির্মাণ। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৫।
খায়রুল বাবুই-এর প্রকাশিত বইগুলো হচ্ছে, গল্পগ্রন্থ: তনুর সঙ্গে তিন রাত, রমরমা রম্য, টোকা, ফান-ই-গল্প। শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ: অদ ভূত বদ ভূত, ঠক ঠক, বুদ্ধির জোর, স্কুলে যেতে ভয় নেই, গুলতি, সাদা প্রজাপতি, পরী ও নীল কলম, হেঁইয়ো, সাফারি পার্কে একদিন, এমন বাতাস কেমন বাতাস, মাটি বন্ধু ইত্যাদি।