সৈকতে পর্যটকদের মন মজালো মাইজভান্ডারি গান

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত 'সৈকত সাংস্কৃতিক উৎসব'- এর শেষ দিনের আয়োজনে অন্যতম আকর্ষণ ছিল চট্টগ্রামের মাইজভান্ডারি গান। এছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিল্পীদের নাচ মুগ্ধ করে সৈকতের পর্যটকদের। পাশাপাশি ছিল মনমাতানো আঞ্চলিক গান।

শনিবার বিকেল ৪টায় কক্সবাজারের লাবণি পয়েন্টে উৎসবের শেষ দিনের আয়োজন শুরু হয় অ্যাক্রোব্যাট শিল্পীদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। গাউসুল আজম মাইজভান্ডারির গানে ধর্মতত্ত্বের নানা বিষয় উঠে আসে আয়োজনে।

এদিন সমুদ্রে ঢেউয়ের গর্জন আর বালুচরে গান, নৃত্যের পসরা সাজিয়েছিলেন শিল্পীরা। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন কক্সবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। একক সংগীত পরিবেশন করেন সংগীতশিল্পী সুচিত্রা, সেতু ও রূপসা। অ্যাক্রোব্যাট শিল্পীরা পরিবেশন করেন পাইপ ব্যালেন্স, দিয়াবো ব্যালেন্স, রোপ রাউন্ড, রোলার ব্যালেন্স, মার্শাল আর্ট, হাই সাইকেল ও রিং ড্যান্স। এ ছাড়া বান্দরবানের পাঁচটি সম্প্রদায়ের নৃত্য পরিবেশিত হয়। যার মধ্যে ছিল- পাংখুয়া সম্প্রদায়ের পুষ্প নৃত্য, খেয়াং সম্প্রদায়ের মাছ ধরা নৃত্য, তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের যুগল নৃত্য, লুসাই সম্প্রদায়ের জীবন ধারা নৃত্য এবং চাক সম্প্রদায়ের জুম নৃত্য। সবশেষে দুই দিনব্যাপী 'সৈকত সাংস্কৃতিক উৎসব' এর পর্দা নামে স্পন্দন ব্যান্ডের গানের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।