নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের দেয়া হলো অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন

বরিশালে ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলা প্রথম পত্রের বহু নির্বাচনী পরীক্ষায় ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বিলি করায় বিপাকে পড়েছে শতাধিক শিক্ষার্থী। তবে বোর্ড কর্তৃপক্ষের দাবি ২০ শিক্ষার্থীর সমস্যা হয়েছ। সেটাও সমাধান করে দিয়েছে বোর্ড।

সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রথম দিনে নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরীক্ষা শেষে প্রশ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, বহু নির্বাচনী পরীক্ষা ত্রিশ মিনিটের ও ত্রিশ মার্কসের। এই পরীক্ষা প্রথমেই দিতে হয়। তাদের সুযোগ ছিল না হলে বসে সিলেবাস যে ২০১৮ সালের ছিল তা দেখার। এই ভুল যারা প্রশ্ন বণ্টন করেছেন তাদের। এ জন্য তারা পরীক্ষায় সঠিক উত্তর দিতে পারেনি বলে চিন্তিত।

ঘটনা জানার পর বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুচ খাতুন বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়টির সমাধানের উদ্যোগ নেন। এ সময় তিনি দায়িত্বরত শিক্ষকদের বকাঝকাও করেন বলে জানা যায়।

প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুচ দেশ রূপান্তরকে বলেন, হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩ জন অনিয়মিত শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে। তাদের জন্য ২০১৮ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। তিনজন পরীক্ষার্থী হলেও প্রশ্ন আসে কমপক্ষে ২০টি থেকে ১০০টি পর্যন্ত। হলে দায়িত্বরত শিক্ষক ২০টি প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন। তবে ওই প্রশ্ন এবং এ বছরের প্রশ্নের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। তারপরও ওই শিক্ষার্থীরা যাতে সমস্যায় না পড়ে সে জন্য তাদের প্রবেশপত্র নিয়ে এসেছি। দেখা গেছে তাদের উত্তরপত্রে কোনো প্রভাব পড়েনি। ২-১ নম্বরের যেটুকু পার্থক্য আছে সেটা আমাদের দায়িত্বে সমাধান করে দিয়েছি। এ ব্যাপারে দায়িত্বরত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।