শরীয়তপুরে ৫ জনের যাবজ্জীবন বরগুনায় স্বামীর মৃত্যুদন্ড

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার আমতলা গ্রামের গৃহবধূ হামিদা বেগমকে (৪৫) হত্যার দায়ে স্বামী বাচ্চুকে (৫৮) গতকাল বুধবার মৃত্যুদন্ড দিয়েছে বরগুনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আবদুল হাকিম মৃধা ও তার স্ত্রী হাজেরা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে একই দিন পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, পাথরঘাটায় পারিবারিক কলহের জেরে ২০০৮ সালের ২৭ আগস্ট রাতে  হামিদাকে হত্যা করে খালপাড়ে লাশ মাটিচাপা দিয়ে রাখে স্বামী বাচ্চু। ২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রামবাসী বাচ্চুকে আটক করে চাপ দিলে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। গ্রামবাসী ওই দিনই বাচ্চুকে পুলিশে সোপর্দ করে।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আবদুল হাকিম মৃধা ও তার স্ত্রী হাজেরা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে গতকাল পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। শরীয়তপুরের জেলা ও দায়রা জজ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিই পলাতক রয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার কাইচকুড়ি গ্রামের রোমান গোলদার (৩২), সুমন গোলদার (৩০), মমতাজ বেগম (৫৮), সহিদুল্লাহ্ সহিদ (৩২) ও বেলায়েত (৩০)।

মামলার বিবরণে জানা যায় কাইচকুড়ি গ্রামের আবদুুল হাকিম মৃধা ও তার স্ত্রী ২০১২ সালের ২২ জুন রাতে বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতে জানালার গ্রিল ভেঙে ঢুকে আসামিরা তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মুখ, হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আবদুল হাকিম মৃধা ও তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।