করোনা মহামারি মোকাবিলায় দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের সমন্বয়ে ‘সংস্কৃতিকর্মীবৃন্দ’ নামে একদল নাট্যকর্মী, শিল্পী, লেখক, চিকিৎসক, অভিনয়শিল্পী ও সংগঠকেরা ২০ মার্চ থেকে কাজ করছে।
করোনা সংক্রমণ থেকে জনগণকে বাঁচাতে তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী প্রচার ভিডিও তৈরি, অনুবাদ, ডাবিং, এলাকাভিত্তিক স্বাধীন উদ্যোগে অর্থ সহায়তা, চিকিৎসকদের জন্য পিপিই সরবরাহ ইত্যাদি মাধ্যমে কাজ করছেন।
পাশাপাশি তারা করোনা মোকাবিলায় সরকারের প্রতি ১১টি দাবি জানিয়েছেন। যা ‘সংস্কৃতিকর্মীবৃন্দ’র পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানালেন নাট্যকর্মী রুমা মোদক।
১. অবিলম্বে প্রতিটি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে করোনা টেস্ট নিশ্চিত করতে হবে।
২. সারা দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পরীক্ষা কিটের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. ডাক্তারদের পর্যাপ্ত পিপিই সরবরাহ করতে হবে।
৪. সামান্য সন্দেহ হলেও যে কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষার আওতায় আনা হবে।
৫. প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সাধ্যমত আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
৬. স্কুল-কলেজ-স্টেডিয়ামগুলোকে আইসোলেশন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য অবিলম্বে তৈরি করে রাখতে হবে।
৭. নিম্ন আয়ের মানুষের তালিকা প্রস্তুতকরণের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি ও প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তাদের খাবার নিশ্চিত করতে হবে।
৮. নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী থেকে স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি করতে হবে। তাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা (পিপিই) ও প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
৯. সাধারণ ছুটি বাড়াতে হবে, কারণ সবাই ঢাকায় ফিরলে বা ঘর থেকে বের হলে করোনা আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
১০. ঘরে থাকার প্রয়োজনীয়তা সবাইকে বোঝানোর জন্য সচেতনতামূলক প্রচার বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
১১. ছিন্নমূল মানুষকে দ্রুত আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
বিবৃতিতে সাক্ষর করেছেন সর্বমোট ৬৫ জন সংস্কৃতিকর্মী।