ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে লকডাউন ভেঙে জানাজায় হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতির ঘটনায় এবার সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাসুদ রানা এবং সরাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল হককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, প্রত্যাহারের বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কাগজপত্র হাতে পাইনি।
এর আগে এ ঘটনায় শনিবার রাতে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাদাত হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।
শুক্রবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মার্কাসপাড়ায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির যুবায়ের আহমদ আনসারী।
শনিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া রহমানিয়া বেড়তলা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুই পাশেও হাজার হাজার মানুষ জানাজায় শরিক হন।
একদিকে বিশ্বরোড মোড় হয়ে সরাইলের মোড় পর্যন্ত অন্যদিকে আশুগঞ্জে কাছাকাছি গিয়ে ঠেকে লোকজন। এছাড়া ওই এলাকার বিভিন্ন ভবনের ছাদেও মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে।
লকডাউনের মধ্যে জানাজায় এত মানুষের উপস্থিতি সবাইকে হতবাক করেছে। দেশের করোনার সংকটকালীন মুহূর্তে এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণের সমালোচনায় সরব হয়েছে সামাজিক মাধ্যম। প্রশ্ন উঠেছে আলেম এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও।