করোনার তথ্য গোপন ঝুঁকিতে প্রতিবেশী

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় আরও একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তিনি (৪২) উপজেলার ৭ নম্বর কাটাছড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। বর্তমানে চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

খবর পেয়ে গতকাল শুক্রবার ওই বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এই রোগীসহ উপজেলায় এ পর্যন্ত ছয়জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

জানা গেছে, আক্রান্ত ওই ব্যক্তি চট্টগ্রাম শহরের ইপিজেড এলাকার একটি কারখানায় চাকরি করতেন। তার শরীর খারাপ হলে ১০ মে চট্টগ্রাম বিআইটিআইডিতে নমুনা দিয়ে মিরসরাইয়ের গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। নমুনা দেওয়ার সময় তিনি চট্টগ্রাম শহরের ঠিকানা ব্যবহার করেন। গত বৃহস্পতিবার তার মোবাইল ফোনে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর গতকাল শুক্রবার তিনি চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হন। তথ্য গোপন করে বাড়ি ফেরায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে সমালোচনা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাটাছড়া এলাকার একাধিক ব্যক্তি মুঠোফোনে দেশ রূপান্তরকে জানান, এভাবে তথ্য গোপন করে বাড়িতে ফিরে এসে তিনি পরিবার ও প্রতিবেশীদের ঝুঁকিতে ফেলেছেন। এ কয়েক দিন তিনি যাদের সঙ্গে মেলামেশা করেছেন, তাদের খুঁজে বের করাও কঠিন।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, করোনায় আক্রান্ত কাটাছড়ার ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছি। আজ শনিবার ওই বাড়ির অন্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।