আওয়ার চিলড্রেন আর আওয়ার সিজেএস’৯৮ ফ্যামিলি- স্লোগান সামনে রেখে সিজেএস’৯৮ ব্যাচ ফ্রেন্ডস ১৪ থেকে ১৮ জুন অনলাইনে শিশুদের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী ও প্রতিযোগীতার আয়োজন করে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনার মহামারীর মধ্যে আমাদের বাচ্চারা ঘরে বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে উঠছে। ঘর থেকে বের হয়ে খেলাধূলা বা কোথাও ঘুরে বেড়াতে পারছে না, তাদের জীবন হয়ে উঠেছে একঘেয়ে। তাই শিশুদের কথা চিন্তা করে সিজেডএস’৯৮ ব্যাচ ফ্রেণ্ডস অনলাইনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতার আয়োজন করে।
তারা জানান, বিভাগ অনুসারে নাম ও চিত্রকর্মসহ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফলাফল গ্রুপে পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হয়।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় ৪৩ শিশু। অংশগ্রহণকারী শিশু শিল্পীদের চিত্রকর্মের মধ্যে মোট তিন বিভাগ থেকে ১০ জনকে এবং তাদের মধ্যে একজনকে গ্র্যান্ড এ্যাওয়ার্ড পদবীতে নির্বাচিত করেন বাংলাদেশের জাতীয় চিত্রশিল্পীরা।
প্রতিযোগীতায় বিজয়ী হয়, গ্র্যান্ড এ্যাওয়ার্ড -খ বিভাগ থেকে অর্জন করে হাফসা হোসাইন। এ ছাড়া ক বিভাগের উন্মুক্ত বিষয়ে যুগ্মভাবে প্রথম স্থান অধীকার করে ওয়াসী নাজমুল ভূঁইয়া ফিহা ও আইফনিন লায়লা শিজা। দ্বিতীয় স্থান আধীকার করে মিফতাহুর রহমান ও তৃতীয় স্থান পায় মো. আরিয়ান হায়দার। খ বিভাগের বিষয় ছিল গ্রাম বাংলা ও প্রকৃতি। এতে প্রথম স্থান পায় হাফসা হোসাইন, দ্বীতীয় স্থান মায়িদা আলম খান ও তৃতীয় স্থান পায় নাবীহা তাহসীন।
এ ছাড়া গ বিভাগের করোনা ও তার পরিস্থিতি বিষয়ে প্রথম হয় শাফিনাজ শাহরিন মানিতা, ২য় হয় আনিসা তাসনিম ইমাম ও তৃতীয় হয় জান্নাতুল সুমাইয়া নাহার মৌ।
৪৩ প্রতিযোগী হলো- ওয়াসী নাজমুল ভূঁইয়া ফিহা, তাহমিদ হাসান ইমাম, আনুশি জে তাজওয়ার, মো. নুজাইফ হায়দার মানাফ, মো. আরিয়ান হায়দার, মেহরিশ নাজাফ, মিফতাহুর রহমান, মো. নুরাইজ হায়দার মিশরাক, মো. জবাদে আহমেদ, মো. সাজ্জাদুল আরিফিন, আমিনা বিনত আশাদ আইফনিন লায়লা শিজা, ওয়াফী বিনতে নাজমুল, আবু হুরাইরাহ, ওয়াজীহা ফোরকান জিহা, মো. রেজওয়ানুল হক সাইফ, উন্মে খায়রুল আদিবা, আব্দুল্লাহ আল ওয়াসির, জান্নাতুল হাফসা নাহার মুন, নাজিয়া খন্দকার রাহা, তাহিরা খন্দকার হাফসা, তাজ আল দ্বীন চৌধুরী, জান্নাতুল সুমাইয়া নাহার মৌ, শারাফ হাসান আদিয়ান, রশ্মিয়া চৌধুরী, মো. জাওয়াদ আজমাঈন, জান্নাতুল তালহা নাহার মাইমুনা, আরিয়া মুসসারাত, মাইদা আলম খান, বেদত্রয়ী ত্রিধারা দেবনাথ, নুসাইবা নাইম, হাফসা হোসাইন, নাবীহা তাহসীন, ফারিসা সিদ্দিকা, ফৌজিয়া আক্তার, শাফিনাজ শাহরিন মানিতা, জুলিয়া আফরিন, রওজাতুন মিম নওমি, জান্নাতুল সুমাইয়া নাহার মৌ, আনিসা তাসনিম ইমাম, ফারসিদ রহমান, খালিদ হোসাইন, হাসিবুল মুনতাসির।
বিচারকদের জুরি বোর্ডে ছিলেন চিত্রশিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক, অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগ, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মৃৎশিল্পী দেবাশীষ পাল বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক, মৃৎশিল্প বিভাগ,চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। চিত্রশিল্পী কামাল উদ্দিন সহকারী অধ্যাপক, অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগ, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
৬ জুলাই এর মধ্যে অংশগ্রহনকারী সব প্রতিযোগীকে সনদসহ পুরষ্কার পৌঁছে দেওয়া হবে।