জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে বাহাদুরাবাদঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৮২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বেড়েছে ব্রহ্মপুত্রসহ শাখা নদীর পানি। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে জেলার ৩ লাখেরও বেশি মানুষ।
এদিকে বুধবার দুপুরে জেলার ইসলামপুর উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের হারিয়াবাড়ি গ্রামের আনোয়ার হোসেন ছেলে আল আমিন (৭) ও মেয়ে আলফিন (৬) বন্যার পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছে।
যমুনার পানি কমলেও ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাইসহ শাখা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন করে জামালপুর সদরের তুলশিরচর, লক্ষীরচর এবং মাদারগঞ্জের চরপাকেরদহ ও কড়ুইচুড়া ইউনিয়ন বন্যা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সবমিলিয়ে ৭ উপজেলার ৪২টি ইউনিয়নে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩ লাখেরও বেশি মানুষ। পানি উঠায় বন্ধ হয়ে গেছে বিভিন্ন স্থানীয় ও আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
সেই সাথে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ১০ হেক্টরের বেশি জমির ফসল। পানিবন্দী অবস্থায় দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত দুর্গত এলাকায় ৬০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল বলে অভিযোগ করেছেন বন্যা দুর্গতরা।