বুকার জিতলেন নেদারল্যান্ডসের রিজেনভেল্ড

‘দ্য ডিসকমফোর্ট অব ইভিনিং’ উপন্যাসের জন্য ২০২০ সালের ইন্টারন্যাশনাল বুকার প্রাইজ পেলেন ডাচ লেখক মেরিকে লুকাস রিজনভেল্ড। বইটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মিশেল হাচিসন। করোনার আবহে এক ডিজিটাল ইভেন্টের মাধ্যমে বুধবার এ ঘোষণা আসে।  

ছয় বইয়ের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে বেছে নেওয়া হয় রিজনভেল্ডের ‘দ্য ডিসকমফোর্ট অব ইভিনিং’। উপন্যাসের মূল চরিত্র জাস, এ পৃথিবীকে বোঝাপড়ার জন্য তার রয়েছে নিজস্ব পদ্ধতি। কঠোর খ্রিষ্টীয় পরিবেশে নেদারল্যান্ডসের গ্রামীণ পরিবেশে জাসের ধর্মনিষ্ঠ কৃষক পরিবার বসবাস করে। তাদের বর্তমান গল্প এক বিয়োগান্ত দুর্ঘটনার ফলাফল।

উপন্যাসটি নেদারল্যান্ডসে বেস্ট-সেলার হয়। এক রিভিউতে একে ‘বিস্ময়কর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। রিজনভেল্ডের ‘অসাধারণ’ বয়ানে  উঠে এসেছে ‘ব্যথার ছোট এক জগৎ, যা দেখা কঠিন ও উপেক্ষা করা আরও কঠিন’।

২৯ বছর বয়সে বুকার জিতলেন রিজনভেল্ড, তাকে বলা হচ্ছে সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার জেতা লেখক। ‘দ্য ডিসকমফোর্ট অব ইভিনিং’ তার প্রথম উপন্যাস।

অন্যদিকে হাচিসন অনুবাদক হিসেবে বেশ পরিচিত। তিনি অনুবাদ করেছেন অ্যান আমেরিকান প্রিন্সেস, মোনা ইন থ্রি অ্যাক্টস, সিউডের মতো আলোচিত বই। এ ছাড়া ‘দ্য হ্যাপিয়েস্ট কিডস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর সহলেখক তিনি।

বুকার প্রাইজের বিচারকদের প্রধান টেড হজকিনসন এক বিবৃতিতে জানান, ঋদ্ধ সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে ‘দ্য ডিসকমফোর্ট অব ইভিনিং’ বাছাই করেছেন তারা। সংবেদনশীল অনুবাদে উঠে এসেছে শৈশবের লজ্জা ও পরিত্রাণের  আবেগময় ও অন্তর্গত বর্ণনা। বইটি এবারের বুকার প্রাইজ প্রাপ্য ছিল।

এ দিকে মেরিকে লুকাস রিজনভেল্ড এক টুইটে লেখেন, “আমরা জিতেছি।” অনুবাদক মিশেল হাচিসনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বিচারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।

বইটির ডাচ সংস্করণ প্রকাশ হয় ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি। আর ইংরেজি অনুবাদ ১৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশ হয়েছে।