জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি পদক’ প্রবর্তন করেছে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ। এ বছর পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন গোলাম মুস্তাফা (মরণোত্তর)।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ।
পদক প্রবর্তনের বিস্তারিত তুলে ধরে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আসাদুজ্জামান নূর বলেন, প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এই পদকটি প্রদানের জন্য ইতিমধ্যেই ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ এর অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ। এই ট্রাস্টের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর নামে যেকোনো প্রস্তাব পেলেই তিনি অনুমোদন দেন না, অনেক যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠানের আবেদন পড়ে আছে তার দপ্তরে। এমনকি আমার নিজের জেলা নীলফামারীতে বঙ্গবন্ধুর নামে স্টেডিয়ামের নামকরণ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি অনুমোদন না দেওয়ায় পরে শেখ কামালের নামে করেছি।
প্রতিবছর ৩১ মার্চ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ পদক প্রদান করা হবে। তবে, করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে অক্টোবরে জাতীয় আবৃত্তি উৎসবের প্রথম দিন এ বছরের পদক প্রদান করা হবে বলে জানান আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আহ্কাম উল্লাহ। ওই উৎসবে ২০২০ সালের ‘গোলাম মুস্তাফা আবৃত্তি পদক’ ও ‘বৃষ্টি-দোলা আবৃত্তি পদক’ এবং ২০২১ সালের ‘কামরুল হাসান মঞ্জু পদক’ প্রদান করা হবে।
লিখিত বক্তব্যে আহ্কাম উল্লাহ বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাংলার শ্রেষ্ঠ কবিতা আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই কবিতার মধ্য দিয়ে শ্রেষ্ঠ কবি ও আবৃত্তিশিল্পী। তাই, স্বাধীনতার এই মহানায়কের নামে জাতীয় আবৃত্তি পদকটি প্রবর্তন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেলায়েত হোসেন, রফিকুল ইসলাম, রেজীনা ওয়ালি লীনা, যুগ্ম-সম্পাদক আজহারুল হক আজাদ প্রমুখ।