কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্ত’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। প্রতিমন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জানান, সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জগতে অরুণ দাশগুপ্তের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শনিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। অকৃতদার অরুণ দাশগুপ্তের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
উল্লেখ্য, অরুণ দাশগুপ্তের জন্ম চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে ১৯৩৬ সালের ১ জানুয়ারি। নিজগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণের পর কলকাতায় চলে যান। সেখানে স্কটিশ চার্চ কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা শেষে বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে লোকসেবক পত্রিকার মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরবর্তীকালে বাংলাদেশে ফিরে তিনি শিক্ষকতাসহ বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত হন।
১৯৭৩ সালে দৈনিক আজাদী পত্রিকায় সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন অরুণ সেনগুপ্ত। তখন থেকেই তিনি পত্রিকার সাহিত্য পাতা সম্পাদনা করতেন। কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিকসহ সর্বমহলে ‘দাদামনি’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।
অরুণ দাশগুপ্ত সাংবাদিকতার পাশাপাশি দীর্ঘসময় ধরে কবিতা এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন। তার রচিত দুটি গ্রন্থ হল ‘রবীন্দ্রনাথের ঋতুর গান ও অন্যান্য’ এবং ‘যুগপথিক কবি নবীন চন্দ্র সেন’। তার কোনো কবিতার বই কখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা, সাময়িকী, সংকলনে তার অসংখ্য কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।