ফেনীতে করোনা পজেটিভ ও করোনা উপসর্গ নিয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ফেনী জেনারেল হাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগী ও করোনা উপসর্গ নিয়ে তিনজনসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবুল খায়ের মিয়াজী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনী জেনারেল হাসপাতালের একজন কোভিড-১৯ পজেটিভ ও করোনা উপসর্গ নিয়ে তিনজনসহ চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজন মারা গেছেন।
তিনি আরো জানান, হাসপাতালের নতুন ভবনের ৩য় তলায় করোনা ডেডিগেটেড ৩০ শয্যার বিপরীতে শনিবার রোগী ভর্তি ছিল ১২৬। এদের মধ্যে ১০ জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছে। ১২৬ জনের মধ্যে আরটিপিসিআর কোভিড-১৯ পজেটিভ ৩৯ জন। আরটিপিসিআর নেগেটিভ কোভিড (কোভিড উপসর্গ) রোগী ৮৭ জন।
এদিকে ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে অহিদুর রহমান চৌধুরী (৭৩) নামে একজন রেগী শনিবার দুপুরে মারা গেছেন। তিনি ফেনীর পরশুরাম পৌরসভার ৬ নম্বর উত্তর কোলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
অহিদুর রহমানের পরিবার জানায়, গত ২ জুলাই শুক্রবার করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন অহিদুর রহমান চৌধুরীর ছোট ভাই বেলায়েত হোসেন চৌধুরী (৭০)। কোভিড-১৯ পজেটিভ শনাক্ত হওয়ার পর গত সোমবার রাতে বেলায়েত হোসেন চৌধুরীর ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৪৫) মারা গেছেন। ওই বাড়ির আরো দুজন করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুই ভাই ও এক ভাইয়ের ছেলেসহ ৯ দিনের মধ্যে এক বাড়িতে তিনজনের মৃত্যুতে চলছে শোকের মাতম।
অপরদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের করোনা পরীক্ষাায় একজন পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ২০১ জন। মোট ২৬ হাজার ১৫২ জনের সমুনা পরীক্ষা হয়েছে। জেলায় এ যাবত সুস্থ হয়েছে চার হাজার ১১৭ জন। মারা গেছেন ৮১ জন। বর্তমানে হাসপাতালে কোভিড-১৯ পজেটিভ ভর্তি রয়েছে ৮৫ জন।