অনিবন্ধিত আইপি টিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন), নিউজ পোর্টাল ও নিউজসংক্রান্ত বিভিন্ন ফেইসবুক পেজ বন্ধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। ১ সেপ্টেম্বর এ রুল জারি হলেও বিষয়টি গতকাল সোমবার জানা যায়।
তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র্যাবের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে আদেশে। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী নাজমুল হক ও সৈয়দা রাফিকা খাতুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
গত ১৩ আগস্ট দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় ‘আইপি টিভিতে এরা কারা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে অনুমোদনহীন আইপি টিভি ও নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন সিলেটের বিয়ানীবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিলাদ মোহাম্মদ জয়নুল ইসলাম।
রিট আবেদনকারীর ভাষ্য, অনিবন্ধিত আইপি টিভি ও অনলাইন পোর্টালের নামে অনেকে সাংবাদিকতা করছে। কিন্তু তাদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। সাংবাদিক নামধারী কতিপয় ব্যক্তির কারণে সংবাদ নিয়ে যেমন বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়, তেমনি মূলধারার সাংবাদিকরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এসব বন্ধে সরকারের কোনো উদ্যোগ এখনো উল্লেখ করার মতো নয়। তাই এসব বন্ধের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যারা সাংবাদিকতা করবেন, তাদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
রিট আবেদনকারীর আইনজীবী নাজমুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অনিবন্ধিত আইপি টিভি ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের নামে সাংবাদিক নামধারী কতিপয় ব্যক্তি নানা নেতিবাচক কাজ করছে। এদের অনেকের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। তাদের বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে মূল ধারার সাংবাদিকতা ব্যাহত হচ্ছে। আদালত আমাদের আবেদন শুনে অনিবন্ধিত আইপি টিভি ও নিউজ পোর্টাল বন্ধের প্রশ্নে রুল জারি করেছেন।’