সরকারি তথ্য অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গায় চলতি বছরে আট মাসে ২২৫ জনের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেছে। তবে সরকারি হিসাবের বাইরেও আত্মহত্যার অনেক ঘটনা রয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণী। যাদের বয়স ১৫ থেকে ২২ বছর।
জেলার চারটি উপজেলার মধ্যে আত্মহত্যার দিক থেকে সদর উপজেলা শীর্ষে। আর দামুড়হুদা উপজেলার অবস্থান দ্বিতীয়।
জেলা পুলিশ বলছে, প্রতি মাসে কমপক্ষে ২০ জন আত্মহত্যা করে চুয়াডাঙ্গা জেলায়। এদের মধ্যে ১৫ বছরের শিশু থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ তরুণী রয়েছে। তবে আত্মহত্যার পূর্ণাঙ্গ কোনো জরিপ নেই জেলা পুলিশের কাছে।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস মনিটরিং সেল চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মানিক আকবর জানান, আত্মহত্যা রোধে ধর্মীয়ভাবে প্রচার চালানো উচিত। তাহলে কিছুটা হলেও আত্মহত্যার প্রবণতা কমিয়ে আনা সম্ভব।
জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার জানান, এ জেলার মানুষ অনেক বেশি আবেগপ্রবণ। যার কারণে একটু আবেগপ্রবণ হলেই তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। পরিবারের দরিদ্রতা, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে বলে জানান তিনি।