জনপ্রিয় থ্রিলার লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন নতুন তিনটি বইয়ের ঘোষণা দিলেন। এর মধ্যে রয়েছে বেস্টসেলার সিরিজ বেগ-বাস্টার্ডের পরের বই।
সোশ্যাল মিডিয়ায় শুক্রবার নাজিম উদ্দিন জানান, বেশ কয়েকটি বইয়ের কাজ চলছে। এর মধ্যে তিনটির খবর আপাতত চাউর করলেন। খুশির খবর হলো, দুটি বই প্রকাশ হচ্ছে এ ডিসেম্বরে।
বেগ-বাস্টার্ড সিরিজের ৬ষ্ঠ কিস্তির নাম ‘নেক্সট’। এ প্রসঙ্গে লেখক বলছেন, দীর্ঘদিন পর ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে পুনরুত্থিত হয়েছে ব্ল্যাক রঞ্জু। আবারও সৃষ্টি করেছে ত্রাসের রাজত্ব। এবার অনেক বেশি শক্তিশালী, ভয়ংকর আর অপ্রতিরোধ্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী।
ওদিকে ঢাকার এক প্রান্তে সদ্য গড়ে ওঠা আবাসিক এলাকায় এক রাতে ঘটে গেল দুটো হত্যাকাণ্ড। তদন্তে নেমেই অপ্রত্যাশিত কিছুর হদিস পেয়ে গেল হোমিসাইডের ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। তার ধারণা, সে ব্ল্যাক রঞ্জুর নাগাল পেয়ে যাবে। কিন্তু পর্দার অন্তরালে আছে আরেকজন, তাকে ধরা প্রায় অসম্ভব। সে কী চায়? কে সে? বাস্টার্ডই বা কেন আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে হন্যে হয়ে খুঁজছে সেই লোককে?
মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এবার নিয়ে এসেছেন ভিন্ন ধরনের একটি চরিত্র--আর্ট ডিটেকটিভ ডক্টর জেড, আর সেই সঙ্গে আসছে ‘দা ভিঞ্চি ক্লাব’। চলতি মাসে প্রকাশিতব্য এ বই সম্পর্কে লেখক জানাচ্ছেন, ডক্টর জেড রহস্যময়, একাকী আর বিচ্ছিন্ন একজন মানুষ। জগতের প্রায় সব বিষয়েই তার অপার কৌতূহল। ভক্তরা তাকে সবজান্তা হিসেবে দেখে, আবার তাকে যারা অপছন্দ করে তারা এটাকেই গালি হিসেবে ব্যবহার করে। পাঁচ শ’ বছরের পুরোনো একটি পেইন্টিংয়ের তত্ত্বতালাশ করতে হবে তাকে। কাজটা শুধু কঠিনই নয়, অসম্ভবও। ঢাকা থেকে রোমে পা দিয়েই ডক্টর মুখোমুখি হলো অপ্রত্যাশিত ঘটনার। অপার কৌতূহল তাকে পরিচালিত করলো বরাবরের মতোই, আর যে সত্য আবিষ্কার করলো, তা যেমন কৌতূহলোদ্দীপক তেমনি বিস্ময়কর। শেষ পর্যন্ত ডক্টর জেডের সঙ্গে পাঠকও চমৎকার একটি ভ্রমণের সঙ্গী হবে— এ কথা বলা যেতেই পারে।
এ ছাড়া বইমেলায় প্রকাশ হবে ‘ঢাবাকা’। এর কাহিনি হলো— পরাবাস্তব এক নগরী, যেখানে অতীত আর বর্তমান হাত ধরাধরি করে চলে সেখানে। বিচিত্র সব মানুষ আর বিচিত্র তাদের কাহিনি। মানুষগুলোর মতো তাদের গল্পগুলোও বিচ্ছিন্ন নয়, একটার সঙ্গে আরেকটা জড়িয়ে থাকে, সময়ের পরিক্রমায় গল্পগুলোর জট লেগে দলা পাকিয়ে যায়। ঘটনাচক্রে এক রাতে, হাজার বছরের পুরোনো বিরান শ্মশানে সেই জট খুলতে শুরু করে— অতীতের গহ্বর থেকে উঠে আসতে থাকে অদ্ভুত সব গল্প, জিন্দা লাশের মতো ঘিরে ধরে জীবন্ত বর্তমানকে। সুরাহা না করে তারা যেন ফিরে যাবে না কোনোভাবেই!