তৈরি-পোশাক পণ্যের রপ্তানির ক্ষেত্রে জিএসপি প্লাস নিয়ে সরকারি ও ব্যবসায়ী মহলে এখন বেশ আলোচনা এবং পত্র চালাচালি হচ্ছে। কয়েক দিন আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ইউরোপীয় কমিশনে এক পত্র দেওয়া হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে বর্তমানে কমিশন ২০২৪ সাল থেকে প্রয়োগযোগ্য প্রস্তাবিত নতুন জিএসপি প্লাস স্কিম নিয়ে যে আলোচনা করছে, সেখানে কোনো দেশ থেকে বিশেষ ৩ ক্যাটেগরির পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ৬.৫ শতাংশের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেজন্য ওই বিধিনিষেধটি প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিষয়টির প্রভাব অপরিসীম।
বাংলাদেশ এতদিন স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক সহায়তা বিধান (International Support Measures) এর আওতায় সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করে আসছিল। এর মধ্যে ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে জিএসপি (Generalized System of Preference) সুবিধা অন্যতম। আংকেল শ্যামের দেশে এই সুবিধা বর্তমানে না থাকলেও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে (ইইউ) এ সুবিধার আওতাভুক্ত ইবিএ (Anything But Arms) স্কিমের মাধ্যমে বিনা শুল্কে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে বড় অবদান রাখছে। দেশের মোট রপ্তানি ও তৈরি-পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে ইইউ-এর অবদান যথাক্রমে ৫৬ ও ৬২ শতাংশ। বাংলাদেশ এতদিন এই সুযোগের পুরো সদ্ব্যবহার করে এসেছে এবং এখনো করছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রায় ৮৫ শতাংশ আসে তৈরি-পোশাক খাত থেকে, আর এ খাতের ৯৬ শতাংশ পণ্য রপ্তানি হয় এই সব সুবিধার মোড়কে আবদ্ধ হয়ে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের ক্লাব থেকে বের হয়ে গেলে বিশ্ববাজারে দেশের এই বিশেষ সুবিধা উবে যাবে এবং তাকে একপেশে সুবিধাপ্রাপ্তির ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে পারস্পরিক লেনদেনের ভিত্তিতে কঠিন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে হবে; শূন্য শুল্ক ব্যবস্থা থেকে রাতারাতি ৮.৫ থেকে ১২.৫ শতাংশ শুল্ক ভারের মুখোমুখি হতে হবে। এতে পোশাক খাতের রপ্তানি বছরে ৮.৭ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই জন্য স্নাতক পরবর্তী পক্ষোদগম সময়ে বাংলাদেশের জন্য জিএসপি প্লাস সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যদিও ইইউ আনুষ্ঠানিকভাবে স্নাতক হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর ৩ বছর অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
ইইউ ২০১৫ সালে জাতিসংঘের তালিকাভুক্ত স্বল্পোন্নত দেশ-বহির্ভূত নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোর টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যে তাদের পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার ইইউ বাজারে নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ প্রণোদনা স্কিম চালু করে, যা জিএসপি প্লাস নামে পরিচিত। এর আওতায় উপযুক্ত দেশকে শুল্ক-তফসিলের ৬৬ শতাংশ পণ্য শূন্য শুল্কে রপ্তানি করার সুযোগ দেওয়া হয়। যদিও বিশ্বে এ জাতীয় দেশের সংখ্যা ৭০টিরও ওপরে, কিন্তু বর্তমানে কেবল ৮টি দেশ এ সুবিধা ভোগ করছে, যার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার রয়েছে মাত্র দুটি দেশ পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এই সুবিধা পাওয়ার জন্য একটা দেশকে অনেক মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। এর একটা হলো ভঙ্গুরতা মানদণ্ড; কোনো রপ্তানিকারক দেশের প্রধান ৭টা রপ্তানি-পণ্যের মূল্য মোট জিএসপিভুক্ত-পণ্য মূল্যের ৭৫ শতাংশ বা বেশি হতে হয়। দ্বিতীয়টা হলো আমদানি মানদণ্ড; ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে উপযুক্ত দেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৭.৪ শতাংশের নিচে হতে হয়। তৃতীয়ত টেকসই উন্নয়ন মানদণ্ড; মানবাধিকার, শ্রমিকের অধিকার, শিশুশ্রম, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনরোধী কার্যক্রম, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ ও সময়াবদ্ধ অঙ্গীকার থাকতে হয়। এছাড়া ইবিএ স্কিমের আওতায় রপ্তানির জন্য স্নাতক দেশ হিসেবে পণ্যের উৎস বিধির ক্ষেত্রে একক রূপান্তরের স্থলে কমপক্ষে দ্বৈত রূপান্তরের প্রয়োজন হয়; যেমন শুধু কাপড় থেকে পোশাক তৈরি করলেই যথেষ্ট বিবেচিত হয় না, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তন্তু উৎপাদন, সেই তন্তু দিয়ে কাপড় তৈরি এবং সেই কাপড় থেকে পোশাক তৈরি করতে হয়। প্রথমোক্ত মানদণ্ডে বাংলাদেশ উত্তীর্ণ হলেও পরের দুইটা মানদণ্ড এই মুহূর্তে দেশের জিএসপি প্লাস সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য বড় বাধা।
ইইউ-এর বর্তমান জিএসপি প্লাসের মেয়াদ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যাবে। তারপর ২০২৪ -৩৪ মেয়াদের নতুন স্কিম চালু হবে। বর্তমান স্কিমটি ছিল প্রধানত মানবাধিকার ও শ্রমিক অধিকারকেন্দ্রিক, কিন্তু প্রস্তাবিত স্কিমটিতে তার সঙ্গে শ্রম মানদণ্ড ও শিশুশ্রম, পরিবেশ সংরক্ষণ, সুশাসন, জবাবদিহি, জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধী কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ টেকসই উন্নয়নের অনেক নতুন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। এই প্রস্তাবনার একটি নতুন শর্ত হলো কোনো একটি দেশ থেকে ইইউ বাজারে এইচ এস সেকশন ৬১, ৬২ ও ৬৩ এর অন্তর্ভুক্ত পণ্যের একীভূত রপ্তানির পরিমাণ ইইউ বাজারে ঐ পণ্যের মোট আমদানির ৬.৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। বাংলাদেশ থেকে ঐ জাতীয় পণ্যের রপ্তানি ইতিমধ্যে প্রায় ১১ শতাংশ অতিক্রম করেছে। আমদানি মানদণ্ডের ৭.৪ শতাংশের বিধিনিষেধটি ভঙ্গুরতা মানদণ্ডের সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা ইতিমধ্যে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তাতে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির তেমন কোনো কারণ নেই। টেকসই উন্নয়ন মানদণ্ডের বিষয়টি যেমন বিস্তৃত ও বহুমুখী, তেমনি জটিল; দ্ব্যর্থবোধক শব্দের সেসব বিষয় বিভিন্ন মহলে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার পর্যাপ্ত সুযোগ আছে।
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পে শিশুশ্রম নির্মূল করা হলেও অন্যান্য সেক্টরে তার সমান প্রতিফলন নেই; দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে সব ক্ষেত্রে শিশুশ্রম এই মুহূর্তে নির্মূল করাও সম্ভব নয়। দেশের একেক আইনে শিশুদের একেকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে; কোনো আইনে ১৮ বছরের নিচের বয়সীদের শিশু বলা হলেও অন্য আইনে আবার ১২ বছর ও তার নিচের বয়সীদের শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। শ্রম আইন ও শ্রম বিধিমালা সর্বশেষ ২০১৮ সালে হালনাগাদ করা হলেও অভিযোগ আছে যে, কারখানার কর্মীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত সোচ্চার শ্রমিক নেতাদের অনেক সময় মালিকদের ইচ্ছামতো তথাকথিত অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়, অথচ অসদাচরণের সুস্পষ্ট সংজ্ঞা বিধিতে নেই। রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় শ্রম আইনের অবাধ প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ আছে শ্রম আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ফেলে রাখা দীর্ঘদিনের হাজার হাজার মামলার।
দেশের সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও হেফাজতে মৃত্যু, পরিবেশ দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের অধিকার, শ্রমিকদের অধিকার প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এখন জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে গেলে এতদসংশ্লিষ্ট ২৭টা আন্তর্জাতিক কনভেনশন আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে, যেগুলোর শতভাগ পরিপালন এই মুহূর্তে অসম্ভব। এখানেই আসে দ্বিপক্ষীয়, ত্রিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় সভাগুলোতে দেশের প্রতিনিধিত্বকারীদের নেগোসিয়েশন দক্ষতার প্রশ্ন। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের আমলাদের নেগোসিয়েশন দক্ষতা, আর ক্রীড়াঙ্গনে ক্রিকেটারদের পারঙ্গমতা প্রায় একই পর্যায়ের; যত গর্জে তত বর্ষে না। এ কাজে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাইরে ট্যারিফ কমিশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে বাণিজ্য চুক্তি ও আইনি বিষয়গুলো দেখার জন্য দক্ষ লোকবল নেই, এমনকি কোনো আইনজীবীর পদও নেই। তাছাড়া, অনেকেই মনে করেন যে ওটা আসলে একটি ডাম্পিং গ্রাউন্ড; কাউকে অকর্মণ্য মনে করা হলে বা অবসরের আগে কিছুদিন বসিয়ে রাখার দরকার হলে তাদের সেখানে নিয়োগ দেওয়া হয়। কাজেই জিএসপি প্লাসের মতো জটিল ও বহুমুখী চালেঞ্জিং বিষয়ের ক্ষেত্রে তারা কতটুকু সাফল্য অর্জন করতে পারবেন, তা বলা মুশকিল।
ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ মানদণ্ড শিথিল করার জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে, কনভেনশনগুলোর শর্ত পরিপালনের জন্য সময়াবদ্ধ গাইডলাইনও ইউরোপীয় কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু শুধু এইটুকু কাজই যে ইপ্সিত ফল দেবে না, তা বোঝা যায় কয়েক দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে করা ইইউ দূত চার্লস হোয়াইটলির মন্তব্য থেকে; “ÒIt’s not going to be a picnic for Bangladesh..” কূটনৈতিক তৎপরতার বাইরেও এর জন্য প্রয়োজন সামষ্টিক অর্থনীতি, বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা ও তার চুক্তিসমূহ এবং বিধিবিধান, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান, দক্ষতা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতাসম্পন্ন চৌকস এক কর্মী বাহিনী যারা আলোচনার টেবিলে প্রতিপক্ষের যে কোনো প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে সক্ষম হবেন। জিএসপি প্লাস একটি স্বল্পমেয়াদি বিষয়; কিছু দিনের মধ্যে হয়তো এর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যাবে, কিন্তু দেশের পথ-পরিক্রমায় এই কর্মী বাহিনীর প্রয়োজন হবে পদে পদে; মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তি, বহুপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি প্রভৃতি হবে তাদের অবাধ চারণভূমি।
স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বাংলাদেশকে রপ্তানি সমুন্নত রাখতে এবং বাড়াতে শুধু জিএসপি প্লাসের দিকে না তাকিয়ে থেকে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পণ্য-বৈচিত্র্যকরণ, উৎপাদনশীলতা বর্ধিতকরণ, শ্রমিকদের দক্ষতায়ন ও পুনঃদক্ষতায়ন, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা অর্জন, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধিকরণ অপরিহার্য। সে লক্ষ্যে দেশে তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়নে বিনিয়োগও হয়েছে ঈর্ষণীয়; বিশ্বে ১০টি লিড (LEED, Leadership in Energy and Environmental Design) প্রত্যায়িত তৈরি পোশাক শিল্পের মধ্যে বাংলাদেশে রয়েছে ৯টি, ১০০টি সবুজ কারখানার মধ্যে ৪০টি এদেশে। কিন্তু টেকসই উন্নয়নে এটাই যথেষ্ট নয়; সব সেক্টরে একইভাবে টেকসই উন্নয়নের সম্প্রসারণ ঘটাতে হবে। কাজেই মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে এদিকে নজর দেওয়া জরুরি।
জিএসপি প্লাসের অধিকাংশ শর্ত কিন্তু এ জাতীয় টেকসই উন্নয়নের সহায়ক; প্রতিবন্ধক তো নয়ই। যেমন পণ্যের দ্বৈত রূপান্তরের ক্ষেত্রে দেশের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ অবকাঠামোর যে ঘাটতি রয়েছে (ওভেনে ৫০ শতাংশ ও নিটওয়্যারে ২০ শতাংশ), তা মেটানো হলে দেশের কর্মসংস্থান ও রপ্তানি সক্ষমতা দুটোই বাড়বে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতি করা হলে পরিবেশ ও মানুষের জীবনমান উন্নত হবে এবং দূষণের মাত্রা কমে যাবে। শিশুশ্রম নির্মূল করে তাদের শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হলে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে উঠবে। সব পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে জনসন্তোষ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তবে এই সব অপর্যাপ্ততা রাতারাতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়; এর জন্য সময়ের প্রয়োজন। স্বল্পমেয়াদে জিএসপি প্লাসের সুবিধার জন্য নেগোসিয়েশন-দক্ষতার সদ্ব্যবহার করতে হবে; প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োজনে বেসরকারি সেক্টর থেকে দক্ষ কুশীলবদের সহযোগিতা নিতে হবে এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বকে কাজে লাগাতে হবে। সেই সঙ্গে এখন থেকেই দক্ষ কর্মী বাহিনী গড়ে তোলার ব্যবস্থা নিতে হবে।
মনে রাখা প্রয়োজন যে, যে পাকিস্তান এখন আর্থ-সামাজিক সব সূচকে বাংলাদেশের পেছনে অবস্থান করছে, সে দেশ যদি জিএসপি প্লাস সুবিধা ভোগ করতে পারে, তবে এদেশের ওই সুবিধা না পাওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। আমরা আশা করব দেশ এখন কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের অগ্রবর্তী হবে।
লেখক খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক
rulhanpasha@gmail.com