মোমবাতির আলোয় প্রজ্বলিত নীলফামারীর বধ্যভূমি

নীলফামারী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ৭টা ১ মিনিটে নীলফামারী সরকারি কলেজে চত্বরে থাকা ৭১ এর পাকহানাদার ও রাজাকার-আলবদর বাহিনীর হাতে গণহত্যার বধ্যভূমির স্থানে হাজারো মোমবাতি জ্বালানো হয়।

এ সময় মোমবাতির আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। ঠিক এ ভাবেই স্মরণ করা হয় ২৫ মার্চের কালরাত্রির গণহত্যা দিবসটি।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, মোমবাতির আলো প্রজ্বলন ও এক মিনিট নীরবতা পালন এবং আলোচনা অনুষ্ঠান করা হয়।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দিদারুল রহমান, নীলফামারী সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ওবায়দুর আনোয়ার, নীলফামারী সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান ভূঁইয়া, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আব্দুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আজাহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোজাম্মেল হক রাসেল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর্জা মুরাদ হাসান বেগ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কান্তি ভূষণ রায়, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন নাহার, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুজার রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল হাসান শাহ্ আপেল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সরকার প্রমুখ।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দিদারুল রহমান।

অপরদিকে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ের স্বাধীনতা স্মৃতি অম্লান চত্বর ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষে বঙ্গবন্ধু চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়।