নড়াইল সদর থানার মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. মোরসালিনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে তাকে প্রত্যাহার করে নড়াইল পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। মোরসালিন নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে লাঞ্ছনার ঘটনায় হওয়া মামলার বাদী।
এদিকে অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নড়াইল সদর থানার ওসি মো. মাহামুদুর রহমান এসআই মোরসালিনকে মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলার পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় বলেন, ‘এসআই মোরসালিন যেহেতু মামলার বাদী। সে কারণে তাকে নড়াইল পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।’
এর আগে গত শনিবার রাতে নড়াইল সদর থানার ওসি শওকত কবীরকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে খুলনায় সংযুক্ত করা হয়।
আরেকজন গ্রেপ্তার : অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনায় হওয়া মামলায় নূরন্নবী (৪৫) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের মনিহার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানান নড়াইল সদর ওসি মাহমুদুর রহমান।
গ্রেপ্তার নূরন্নবী নড়াইল সদরের গোবরা এলাকার ফয়েজ চৌকিদারের ছেলে। পেশায় তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক। অধ্যক্ষ লাঞ্ছনা মামলার ১৭০ আসামির মধ্যে এ নিয়ে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
এদিকে এর আগে গ্রেপ্তার করা চার আসামি শাওন খান, মনিরুল ইসলাম, রিমন আলী ও রহমতউল্লাহ বিশ্বাসকে গতকাল সোমবার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
সম্প্রতি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাময়িক বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে ‘সমর্থন জানিয়ে’ ফেইসবুকে পোস্ট দেন মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের এক কলেজছাত্র। ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা গ্রহণে দেরি করার’ অজুহাতে গত ১৮ জুন কয়েকশ’ পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতেই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেওয়া হয়।