প্রসিদ্ধ কবি, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক তারাপদ রায়ের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০০৭ সালের ২৫ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। বাংলা সাহিত্যে হালকা হাস্যরসের সাথে পরিমিত তিক্তরস মিশ্রণের পারঙ্গম স্রষ্টা তিনি। তিনি ‘গ্রন্থকীট’ ও ‘নক্ষত্র রায়’ ছদ্মনামেও লিখতেন। পেয়েছেন শিরোমণি পুরস্কার ও কথাসাহিত্য পুরস্কার।
তারাপদ রায় টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালতপাড়ায় ১৯৩৬ সালের ১৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সুধীর রায়, মা রেনুকা রায়। বাবা এবং দাদু লগনচাঁদ রায় ছিলেন টাঙ্গাইল আদালতের প্রখ্যাত আইনজীবী।
শহরের বিন্দুবাসিনী বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন তারাপদ রায়। তারপর পাড়ি জমান কলকাতায়। ভর্তি হন মাওলানা আজাদ কলেজে। সেখান থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে লেখাপড়া করেন। প্রথমে শিক্ষকতা করলেও পরে যোগ দেন সরকারি চাকরিতে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের সচিব পদ থেকে অবসর নেন তিনি।
কলকাতায় গিয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি কবি হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। একপর্যায়ে বাংলার প্রসিদ্ধ কবি, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে জায়গা করে নেন। তার রচিত অনেক গ্রন্থ রয়েছে। তার প্রথম কবিতার বই 'তোমার প্রতিমা' প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। তার প্রকাশিত কবিতা সহস্রাধিক। কবিতার পাশাপাশি লিখতেন রম্যরচনা। তাছাড়াও লিখেছেন অজস্র গল্প, ছোট উপন্যাস ও শিশু সাহিত্য। তার 'ডোডো-তাতাই' বিখ্যাত শিশু চরিত্র।