কক্সবাজারের উখিয়ার পার্শ্ববর্তী ঘুমধুম-তমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গোলাগুলির শব্দ কমে এসেছে। গত দুই দিনে আগের মতো মর্টার শেল বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পায়নি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। গতকাল রবিবার ওই এলাকার পরিবেশ তুলনামূলক শান্ত ছিল। তবে স্থানীয়দের শঙ্কা, হঠাৎ করে গোলাগুলি কমিয়ে দেওয়া মিয়ানমারের নতুন কোনো কৌশল হতে পারে।
গত কয়েক দিন ধরেই বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর থেকে ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে নিয়মিত গোলাগুলি হচ্ছিল। কয়েকটি গুলি ও গোলা বাংলাদেশে এসেও পড়ে। এ নিয়ে সীমান্ত এলাকায় বাড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। তবে গতকাল কোনো শব্দই শোনেনি স্থানীয়রা।
গতকাল তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম শাওন বলেন, আজ সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত। গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। স্থানীয়দের মনে স্বস্তি ফিরেছে এতে।
তমব্রু বাজারের ব্যবসায়ী শফিউল আলম জানান, শনিবার ভোর থেকে রবিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মাত্র দুইটা বিস্ফোরণের আওয়াজ মিয়ানমার থেকে এসেছে।
বিগত প্রায় ৪৩ দিন ধরে চলে আসা মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং সে দেশের বিদ্রোহী সংগঠন আরকান আর্মির মাঝে চলা সংঘর্ষে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ঘুমধুম ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. আলম বলেন, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত। সীমান্তের কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষজনের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তবে সেটি তাদের কৌশল কি না এখনই বলা যাচ্ছে না।
ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত আছে। গত দুই দিনে গোলাগুলি হয়নি বললেই চলে।