ফখরুলের অভিযোগ

আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতে ক্ষমতাসীনরা অপপ্রচার চালাচ্ছে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়ে মুক্ত হয়েছেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এসবের কোনো ভিত্তি নেই। সরকারবিরোধী আন্দোলনে বেহুঁশ হয়ে আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ক্ষমতাসীনরা অপপ্রচার চালাচ্ছে।’ গতকাল শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি। ‘এতদিন হয়ে গেল কেউ কিছু বলল না, কেউ কিছু জানে না। হঠাৎ করে সেলিম সাহেব দাবি করলেন খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়ে মুক্ত হয়েছেন। আসলে এসব কথা ভিত্তিহীন, মিথ্যা অপপ্রচার ও অপকৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু করেছে তা দমন ও নস্যাৎ করতে সরকার এবং সরকারের এজেন্টরা বিভিন্ন ধরনের অপকৌশল অবলম্বন করবে। সেজন্য তারা মিডিয়াতে বলুন, গল্প করে বলুন, বিভিন্ন রকমের গল্প তৈরি করবে। এজন্য আমরা এ নিয়ে বেশি মাথা ঘামাচ্ছি না। আমাদের মাথা ঘামানোর বিষয় হচ্ছে একটাই, সেটা হচ্ছে জনগণকে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করে, আরও সম্পৃক্ত করে এই ভয়াবহ দানবকে সারানোর, এর বাইরে আমাদের কোনো চিন্তা নেই।’

মির্জা ফখরুল জানান, সরকার পতনের লক্ষ্যে শুরু করা আন্দোলন সফলতার দিকে নিয়ে যেতে গণতন্ত্র মঞ্চ এবং বিএনপি পালিত আগের কর্মসূচি পর্যালোচনা করেছে। এছাড়া পরবর্তী সময়ে কী কী কর্মসূচি গ্রহণ হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করেছে।

যুগপৎ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও অতিদ্রুত বৈঠক হবে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি যে কর্মসূচি রয়েছে সেই কর্মসূচিকে সফল করা এবং পরবর্তী সময়ে কী কর্মসূচি গ্রহণ করব সেগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

বৈঠক শেষে গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে চারটি কর্মসূচি পালন করেছি। কর্মসূচিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ধীরে ধীরে এই কর্মসূচি বিজয়ের দিকে নিয়ে যেতে চাই। কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এ ব্যাপারে আমরা নীতিগত এবং কৌশলগত বিষয়ে আলোচনা করেছি।’

গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য মজবুত নয় সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ঐক্যকে আরও দৃঢ় করা। এই ঐক্যের মধ্যে ফাটল ধরাবার জন্য, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য শত্রুপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সজাগ থাকা এবং ঢাকা মহানগরে মধ্যে কীভাবে তৎপরতা বাড়ানো যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ঢাকা মহানগরে বিএনপি যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আমরা এটাকে সমর্থন জানিয়েছি। এটার মধ্য দিয়ে আমরা সে পর্যায়ে যাওয়ার চেষ্টা করব যাতে একটি অভ্যুত্থানের দিকে নিয়ে যেতে পারি। ৪ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচির পরে পরবর্তী ধাপে কী কর্মসূচি দিতে পারি সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল ছাড়াও বৈঠকে বিএনপির পক্ষে ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ও যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষে ছিলেন মঞ্চের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য আ স ম রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণ-অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

বৈঠকে অংশ নেওয়া এক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা ও বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ২৭ দফা সমন্বয় করে আন্দোলনরত বিরোধী দলগুলোর একটি যৌথ ইশতেহার তৈরির বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এতদিন হয়ে গেল কেউ কিছু বলল না, কেউ কিছু জানে না। হঠাৎ করে সেলিম সাহেব দাবি করলেন খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়ে মুক্ত হয়েছেন। আসলে এসব কথা ভিত্তিহীন, মিথ্যা অপপ্রচার ও অপকৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু করেছে তা দমন ও নস্যাৎ করতে সরকার এবং সরকারের এজেন্টরা বিভিন্ন ধরনের অপকৌশল অবলম্বন করবে। সেজন্য তারা মিডিয়াতে বলুন, গল্প করে বলুন, বিভিন্ন রকমের গল্প তৈরি করবে। এজন্য আমরা এ নিয়ে বেশি মাথা ঘামাচ্ছি না। আমাদের মাথা ঘামানোর বিষয় হচ্ছে একটাই, সেটা হচ্ছে জনগণকে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করে, আরও সম্পৃক্ত করে এই ভয়াবহ দানবকে সারানোর, এর বাইরে আমাদের কোনো চিন্তা নেই।’

মির্জা ফখরুল জানান, সরকার পতনের লক্ষ্যে শুরু করা আন্দোলন সফলতার দিকে নিয়ে যেতে গণতন্ত্র মঞ্চ এবং বিএনপি পালিত আগের কর্মসূচি পর্যালোচনা করেছে। এছাড়া পরবর্তী সময়ে কী কী কর্মসূচি গ্রহণ হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করেছে।

যুগপৎ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও অতিদ্রুত বৈঠক হবে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি যে কর্মসূচি রয়েছে সেই কর্মসূচিকে সফল করা এবং পরবর্তী সময়ে কী কর্মসূচি গ্রহণ করব সেগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

বৈঠক শেষে গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে চারটি কর্মসূচি পালন করেছি। কর্মসূচিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ধীরে ধীরে এই কর্মসূচি বিজয়ের দিকে নিয়ে যেতে চাই। কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এ ব্যাপারে আমরা নীতিগত এবং কৌশলগত বিষয়ে আলোচনা করেছি।’

গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য মজবুত নয় সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ঐক্যকে আরও দৃঢ় করা। এই ঐক্যের মধ্যে ফাটল ধরাবার জন্য, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য শত্রুপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সজাগ থাকা এবং ঢাকা মহানগরে মধ্যে কীভাবে তৎপরতা বাড়ানো যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ঢাকা মহানগরে বিএনপি যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আমরা এটাকে সমর্থন জানিয়েছি। এটার মধ্য দিয়ে আমরা সে পর্যায়ে যাওয়ার চেষ্টা করব যাতে একটি অভ্যুত্থানের দিকে নিয়ে যেতে পারি। ৪ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচির পরে পরবর্তী ধাপে কী কর্মসূচি দিতে পারি সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল ছাড়াও বৈঠকে বিএনপির পক্ষে ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ও যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষে ছিলেন মঞ্চের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য আ স ম রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণ-অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

বৈঠকে অংশ নেওয়া এক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা ও বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ২৭ দফা সমন্বয় করে আন্দোলনরত বিরোধী দলগুলোর একটি যৌথ ইশতেহার তৈরির বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।