আসামির সঙ্গে যোগাযোগ ৪ আইন কর্মকর্তা প্রত্যাহার

নিয়মিত কোর্টে উপস্থিত থেকে মামলা পরিচালনা না করা, রাষ্ট্রপক্ষের স্বার্থ বাদ দিয়ে আসামির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ না করার অভিযোগে দিনাজপুর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক আদালতের ১ জন অতিরিক্ত পি.পি এবং ৩ জন এ.পি.পি-কে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 গতকাল সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রবিউল ইসলাম রবি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ১ জন অতিরিক্ত পিপি ও ৩ জন এপিপিকে প্রত্যাহার করা হয়।

প্রত্যাহারকৃতরা হলেন অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-৪ এর অতিরিক্ত পিপি মো. দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-৪ এর এপিপি মেহেরুল ইসলাম, অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর এপিপি হাসনে ইমাম নয়ন এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক আদালত-৩ এর এপিপি রনি চন্দ্র রায়।

পাবলিক প্রসিকিউটর রবিউল ইসলাম (রবি) বলেন, ‘আগামী ৮ এপ্রিল জেলা আইনজীবীর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের একটি প্যানেল হয়েছে এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের একটি প্যানেল হয়েছে। দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাড. তহিদুল হক সরকার জেলা আইনজীবী পরিষদের সভাপতি হয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের বিপক্ষে একটি প্যানেল দিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আ.ন.ম হাবিবুল্লাকে সেক্রেটারি (সাধারণ সম্পাদক) করে এই প্যানেল দেওয়া হয়েছে। আমার এপিপি সঙ্গে সরকারি যারা আইন কর্মকর্তা আছেন তাদের নিয়ে আমরা মিটিং করেছি। তাদের বলা হয়েছে আপনারা সরকার এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বে আছেন। যদি আলাদা প্যানেল করতে হয় তবে পদত্যাগ করবেন। কিন্তু তারা পদত্যাগ করেননি। এই মর্মে ৪ জনকে আমি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেছি।’