তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির ব্যালটের প্রতি কোনো আস্থা নেই, ইভিএমের প্রতিও আস্থা নেই। আসলে বিএনপির নিজেদের প্রতিই কোনো আস্থা নেই। কারণ বিএনপি জনগণ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে এটা তারা জানে। এভাবে ক্রমাগত নির্বাচন থেকে পালিয়ে যেতে যেতে এক সময় বিএনপি দলটাই জনগণের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে।
গতকাল বুধবার চট্টগ্রামে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিশেষ সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ডিন ডেভিট টেইলর বীনাকোনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য (ভিসি) কামাল আহমেদ, বর্তমান ভিসি রুবানা হক, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাসেলসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এন্ড্রে সেনকেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. নেহাল আহমেদ প্রমুখ।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘২০০৮ সালে বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেও মাত্র ২৯টি আসন পেয়েছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। ২০১৮ সালে সবাইকে নিয়ে ঐক্য করে পেয়েছিল ৬টি আসন, মহিলা আসনসহ ৭টি। তারা বুঝতে পেরেছে আগামী নির্বাচনেও তাদের সম্ভাবনা কমে গেছে। সেজন্য বিএনপির নির্বাচন বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর আস্থা নেই। তারা শুধুমাত্র ষড়যন্ত্রের পথে হাঁটছে, পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে, দেশ-বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে, আর বিদেশিদের হাতেপায়ে ধরছে। এগুলো করে কোনো লাভ হবে না।’
বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন অনেকটা তাদের দাবি মেনে নিয়ে ইভিএম বাদ দিয়ে ব্যালটে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন যদি নির্বাচনে আসে তবে তাদের জন্য মঙ্গল হবে।’
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটি দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ১৪০ একর জমি বরাদ্দ করেছে। যার প্রধান পৃষ্ঠপোষক বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ডের চেয়ারম্যান। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রামে একটি মেডিকেল স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য তারা সরকারের কাছে আরও জমি বরাদ্দের আবেদন করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে গত ১৪ বছরে নারীদের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এখন দেশের সব ক্ষেত্রে নারীরা কাজ করছেন। এখন আমাদের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, পুলিশের এসপি, ডিসি প্রায় সব ক্ষেত্রে নারীরা কাজ করছেন। একসময় নারী ডিসি বা এসপি অথবা ইউএনও হবে সেটা কল্পনাও করতে পারেননি।’