টাস্কফোর্সের সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রদূতরা অর্থ দিয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিতে পারবেন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বাংলাদেশে নিযুক্ত কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলেও তারা চাইলেই সেটি আবার দেওয়া হবে। তবে এজন্য তাদের অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এ ছাড়া মন্ত্রীদের নিরাপত্তা কমাব না আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে গার্ড রেজিমেন্ট তৈরি করেছি, আমরা সবাইকে গার্ড রেজিমেন্টের সিকিউরিটিতে নিয়ে আসব। আমরা পর্যায়ক্রমে মন্ত্রী ও ভিআইপিদের আনসার গার্ড রেজিমেন্ট দেব।

গতকাল বুধবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির ১১১ দফা সুপারিশমালা বাস্তবায়নের জন্য গঠিত টাস্কফোর্সের সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আমাদের দেশে যখন জঙ্গি উত্থান হয়েছিল, সন্ত্রাসের একটা রাজত্ব হয়েছিল, তখন চারটি দূতাবাসকে আমরা প্রটেকশন মানে রুট প্রটেকশন দিতাম। এটা কিন্তু লিখিতভাবে আমাদের দেওয়া হয়নি কিংবা তারাও আমাদের অনুরোধ করেনি। আমরাই তাদের দিয়েছিলাম যাতে করে তারা কোনোভাবেই অসুবিধায় না পড়েন। এই চারটির বাইরে আমরা কাউকেই প্রটেকশন দিইনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি সেই পরিস্থিতি এখন আর নেই। যেহেতু সেই পরিস্থিতি নেই সেজন্যই এই রুট প্রটেকশনটা আমরা উঠিয়ে নিয়েছি। তার পরও যদি কোনো রাষ্ট্রদূত মনে করেন তাদের প্রয়োজন হবে তাহলে নতুন করে আমরা আনসার গার্ড রেজিমেন্ট তৈরি করেছি, সেই গার্ড রেজিমেন্টই এই প্রটেকশনের দায়িত্বে থাকবে। এটা অন পেমেন্ট দিতে হবে। তাদের যে খরচ সেই খরচ সেই দূতাবাসকে দিতে হবে এবং সেই অনুযায়ী আমরা তাদের ব্যবস্থা করব।’

কোনো দূতাবাস এ রকম নিরাপত্তা সুবিধার জন্য আবেদন করেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা তো মাত্র জানালাম। এখন যার যার প্রয়োজন হবে জানাবে।

আমি আবারও বলছি প্রত্যেকটা দূতাবাসেই আমাদের পুলিশের প্রটেকশন রয়েছে তাদের সিকিউরিটির জন্য এবং যেসব রাষ্ট্রদূতের কথা বললাম চারজন তাদের জন্য গানম্যানও রয়েছে। সব ধরনের প্রটেকশন রয়েছে। শুধু আমরা সড়কে যে প্রটেকশন দিতাম, এটা উইথড্রো করেছি। আমার মনে হয় আপনারা ক্লিয়ার হয়েছেন।

যদি তাদের ওপর কোনো হামলা হয় বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্নের জায়গা সৃষ্টি হতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা যদি মনে করেন রুট প্রটেকশনটাও তাদের প্রয়োজন, সে ক্ষেত্রে আমাদের সবকিছু রেডি আছে। তারা চাইলেই পেয়ে যাবেন।