ছাদে বাগান করলেই ১০ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ

শহর এলাকায় কংক্রিট বাড়ছে। কমছে সবুজ, জলাশয় ও খোলা জায়গা। এতে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। দেশের শহর এলাকার তাপমাত্রা কমাতে ছাদবাগানকে উৎসাহিত করছে সরকার। ছাদবাগান করলে গাছ পরিচর্যার জন্য ওই ভবনের হোল্ডিং ট্যাক্স ১০ শতাংশ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

গতকাল বুধবার সকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে নির্দিষ্টস্থানে পশু কোরবানি এবং দ্রুততম সময়ে পশুর বর্জ্য অপসারণসংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ইতালির রোমের বাসিন্দাদের ছাদ কৃষি তাদের সবজির চাহিদা পূরণ করছে। তাহলে ঢাকায় এটা হবে না কেন? ঢাকায় অনেক সুযোগ রয়েছে ছাদবাগান বা ছাদ কৃষির। পাশাপাশি এটা শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দেশের সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় ছাদবাগান বা ছাদ কৃষি করলে সবাইকে ১০ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করা হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হবে। কেননা, বাসা-বাড়ির ছাদে বাগান করলে শহরের তাপমাত্রাও কমে আসবে।

ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহর হিট আইল্যান্ডে পরিণত হয়েছে। কংক্রিটে আচ্ছাদিত হয়ে গেছে মাটি। অপরিকল্পিত উন্নয়নে ধ্বংস করা হয়েছে সবুজ, জলাশয় ও উন্মুক্ত স্থান। এ কারণে ঢাকার তাপমাত্রা সহনীয় মাত্রার বাইরে চলে গেছে। সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সৃষ্টি করে ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ডিএনসিসি থেকে ভবনগুলোতে ছাদবাগান বা ছাদ কৃষি করলে ১০ শতাংশ হোল্ডিংট্যাক্স মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় সেসব যাচাই-বাছাই করে সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার জন্য এটা কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য ডিএনসিসি মেয়র হিসেবে মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই।