এ সপ্তাহের বিতর্ক— যুদ্ধাপরাধ ও গণতান্ত্রিক অধিকার

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের যে অভিযোগ তার মীমাংসা না করে জামায়াতের এ দেশে রাজনীতির মূলস্রোতে থাকা প্রশ্নবিদ্ধই থাকবে

বিচার না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতকে দোষী বলতে নারাজ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, ধর্ষণকারী, লুটপাটকারী, অগ্নিসংযোগকারী ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করা দলটি সম্পর্কে কেন এখন এমন মতিগতি সরকারি মহলের? জামায়াত কি তবে বিএনপির সঙ্গ ছেড়ে সরকারি হেফাজতে হিজরত করেছে? কেন জামায়াত এখন আর স্বাধীনতাবিরোধী নয়? জঙ্গি অপশক্তিও নয়? এসব প্রশ্নকে নিষ্পত্তিহীন রেখে টানা ১০ বছর পর ঢাকায় বীরদর্পে সমাবেশ করেছে দলটি। তাও আচমকা বা চোরাগুপ্তা নয়, পুলিশের অনুমতি নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিশাল আয়োজনে।

বিস্তারিত পড়ুন— যুদ্ধাপরাধে প্রশ্নবিদ্ধ জামায়াত | মোস্তফা কামাল


দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। স্বভাবতই অস্তিত্ব বজায় রাখতে অনেকটা মরিয়া হয়েই চেষ্টা করছে জামায়াতে ইসলামী

জামায়াতে ইসলামী বরাবরই সময়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ইসলামপন্থি এই দলটি কখনোই জনাকাক্সক্ষা, বাস্তবচিত্র বা জনমানুষের প্রত্যাশা অনুসারে রাজনীতি করতে পারেনি। যে কারণে এই দলটির পক্ষে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলে পরিণত হওয়া সম্ভব হয়নি। ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে বরং জামায়াতে ইসলামী ভুল কৌশল অবলম্বন করে সময়ের চোরাশ্রোতে ভেসে গিয়েছে। গণতন্ত্র, সুষ্ঠু নির্বাচন, গুম, বিনা বিচারে হত্যা বন্ধের দাবিতে দেশ এক চূড়ান্ত মুহূর্তের কাছাকাছি এসে উপস্থিত হয়েছে। হয় এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি ঘটবে। অথবা আরও গহিন অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাবে দেশ। দেশজুড়ে এখন নিত্যনতুন গুঞ্জন ভেসে বেড়াচ্ছে। এই গুঞ্জনের পালে নতুন করে হাওয়া দিয়েছে জামায়াতের একটি সমাবেশ। এই সমাবেশকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, চরম দমন নিপীড়নের মুখে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে অনুপস্থিত জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো ধরনের আপস হয়েছে কিনা।

বিস্তারিত পড়ুন— জামায়াতের গণতান্ত্রিক অধিকার | ড. মারুফ মল্লিক