প্রথম পরিকল্পনা কমিশন সদস্যের ডায়েরি থেকে

অধ্যাপক আনিসুর রহমানের ডায়েরির শুরু ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২, শেষ ৫ এপ্রিল ১৯৭৪। সেখান থেকে পরিকল্পনা কমিশন সম্পৃক্ত অংশ তুলে আনা হচ্ছে। প্রথম পরিকল্পনা কমিশনের সীমবদ্ধতা, আমলাতান্ত্রিক বাধা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতির কিছু চিত্র এতে উঠে এসেছে। বন্ধনীর ভাষ্য নিবন্ধকারের।

প্রথম পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানসহ চারজনের মধ্যে দুজন প্রয়াত, আছেন আনিসুর রহমান এবং রেহমান সোবহান। তখনকার তিনজন সচিব ড. গোলাম রব্বানী, ড. আবদুস সাত্তার এবং এম সায়েদুজ্জামান, প্রথম দুজন প্রয়াত।

১৫.২.১৯৭২ : প্ল্যানিং কমিশনের কাছে যুক্তরাজ্যের ডেলিগেশন। ওরা বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে এইড কনসরসিয়াম চায় এবং চায় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এতে অংশগ্রহণ করুক। ওরা চায় আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ওদের সদস্য হওয়ার জন্য আলোচনা শুরু করি।

ওরা চায় আমরা পেছনের ঋণের প্রশ্নটা পাকিস্তানের সঙ্গে মিটমাট করে নিই এবং পাকিস্তানকে জানাই যে, আমরা এই প্রশ্নটা আলোচনা করতে রাজি আছি। তারা বলে যে তা না হলে অনেক দেশের পক্ষেই আবার এই দুই দেশকে সাহায্য দেওয়া শুরু করা কঠিন হবে। যদি আমরা এটা না করতে পারি, তাহলে আমাদের একার তরফ থেকেই বিশ্বব্যাংকের কাছে যেন জানাই আমরা অতীতের দেনা-দায়ের কতখানি বহন করতে রাজি আছি।

২১.২.৭২ : বঙ্গবন্ধু পরিকল্পনা কমিশনের সঙ্গে আালোচনা না করেই ভূমি মালিকানা পার সিলিং ১০০ বিঘা ঘোষণা করে দিয়েছেন। (অনুমেয়, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত। পরিকল্পনা কমিশন অসন্তুষ্ট, কারণ পরিকল্পনা কমিশনের অজ্ঞাতে এই   ঘোষণায় কমিশনের এখতিয়ার ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে নিশ্চয়ই তারা মনে  করেছেন।)

২৪.২.৭২ : সব প্রকল্পে কম খরচের বাসস্থান, ফ্ল্যাট হলে উত্তম। নতুন কোনো প্রাইভেট এক বাড়ির বাসস্থান নয়। সরকারের উচিত হবে বহু ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ম্যানশন তৈরি করে ফ্ল্যাটগুলো প্রাইভেট লোকের কাছে বিক্রি করা।

১৫.৩.৭২ : প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা মন্ত্রীদের সুবিধাদি পাবেন। এদের বেতনে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে : ১০০০/-; ৭৫০/-; ৭০% বাসার জন্য, করের আওতাভুক্ত; নির্দেশমতো প্রভিডেন্ট ফান্ড; সন্ধ্যার পর ছাড়া ব্যক্তিগত প্রয়োজনে গাড়ি পাবে না।

১৬.৩.৭২ : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিং : আমরা খাদ্য সংকটের মোকাবিলা করার জন্য ভারত থেকে  যে খাদ্যসামগ্রী আসছে সেগুলো রুশ হেলিকপ্টার দিয়ে এয়ার-লিফট করবার প্রস্তাব দিই। তা না হলে আগামী দুই মাসে ব্যাপক অনাহার দেখা দেবে; দাম ও বিশৃঙ্খলা হবে; মার্কিন সরকারের অবস্থানকে সত্য বলে প্রমাণ করবে। এ কথা আগে তাজউদ্দীনের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল এবং তিনি একমত হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী রাজি হন এবং বলেন যে, তিনি ভারতকে বলবেন রুশ হেলিকপ্টারের জন্য আবেদনে জোর দিতে।

প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত ক্লান্ত ও চিন্তিত দেখাচ্ছিল। তিনি বলেন, আমলা ও অন্যদের মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং কোনো পরিবর্তন হবে না দেশে একটি ‘কালচারাল রিভল্যুশন’ আর একটা ‘ব্লাড বাথ’ না হলে। (খাদ্য পরিবহনের প্রশ্নে মতদ্বৈধতা ছিল বলে অনুমিত, তা ছাড়া এটা পরিকল্পনা কমিশনের বিষয় হওয়ার কথাও নয়। ‘কালচারাল রিভল্যুশন’-টা মাও সে তুং ধরনের কি না তা স্পষ্ট নয়।)

১৯.৩.৭২ : সিভিল সার্ভিসের পক্ষ থেকে (পরিকল্পনা কমিশনের) বিরোধিতা আরও শক্ত হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে তাদের কয়েকজন গতকাল চারজন হার্ভার্ড বিশেষজ্ঞ দ্বারা সব নীতি প্রণয়নের বিরুদ্ধে অবজারভার পত্রিকায় চিঠি ড্রাফট করতে বসেছিলেন। (হার্ভার্ড বিশেষজ্ঞ হচ্ছেন কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যনসহ চার সদস্য।)

২৪.৩.৭২: শিল্পনীতির ওপর ক্যাবিনেট মিটিং- প্রধানমন্ত্রী ১৫ লাখ টাকার ওপরে পুঁজি এরকম সব শিল্পের রাষ্ট্রায়ত্তকরণের পক্ষপাতী। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয় প্রধানমন্ত্রী আগে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করতে চান বলে।...

২৫.৩.৭২: অধ্যাপক নুরুল ইসলাম ও রেহমান সোবহান জানান যে, প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ মত পরিবর্তন করেছেন এবং আগামীকালই পাট, বস্ত্র ও চিনি শিল্পসমূহ রাষ্ট্রায়ত্ত করবার ঘোষণা দিতে চান। এটা ‘টপ সিক্রেট’ বলে রেহমান সোবহান প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি লিখবেন এবং আমাকে নিজে এটি টাইপ করতে হবে। আনিসুজ্জামান এটি বাংলায় অনুবাদ করবেন। (শিল্পসমূহ রাষ্ট্রায়ত্তকরণ কমিশন সুপরিশকৃত কি না, স্পষ্ট হয়নি,  তড়িঘড়ি করে করা হচ্ছে কি না সে মন্তব্যও নেই। অধ্যাপক আনিসুর রহমান সম্ভবত সচেতনভাবেই তা এড়িয়ে গেছেন।)

একই দিনের ডায়েরিতে অধ্যাপক রহমান লিখেছেন বাণিজ্যমন্ত্রীর ভারতে টাটাদের সঙ্গে দেখা করার কথা।

৩০.৩.৭২ : শিল্প রাষ্ট্রায়ত্তকরণ নীতি একটা বড় ধরনের ‘ক্যু’। বাম বিরোধী দলগুলোও অবাক হয়ে গেছে। (তারা এ উদ্দেশ্যে আন্দোলন গড়ে তোলার আগেই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দিয়েছেন।)

১. প্রাইভেট পুঁজিবাদীদের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন। ২. (জাতীয়কৃত শিল্পগুলোর) অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা প্রয়োজন। ৩. ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং প্রয়োজন। ৪. উৎপাদন ও মূল্যনীতির প্রণয়ন প্রযোজন।

কৃষি : বেনামি হস্তান্তর বন্ধ করা প্রয়োজন। রিলিফ বণ্টনে দুর্নীতির ওপর সার্ভে প্রয়োজন।

৭২-৭৩। কৃচ্ছ্রসাধন বছর : কৃচ্ছ্রসাধন বাজেট (আমার চিন্তা)

৬.৪.৭২ : আমলারা সমাজতন্ত্র বানচাল করার জন্য ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে লাইন আপ করছে। পুরো মধ্যবিত্ত শ্রেণির সমর্থন পাচ্ছে- দেশের নীতি বামে মোড় নিলে যাদের স্বার্থ স্বভাবতই হুমকির সম্মুখীন হবে।

এত শিগগির বাংলাদেশকে আমেরিকার স্বীকৃতি দান তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিবিপ্লবীদের পক্ষে আর একটি শক্তিশালী হাত যোগ হলো।...(৪ এপ্রিল ১৯৭২ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট উইলিয়াম রোজার্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানের ঘোষণা দেন।)

১২.৪.৭২ : অধ্যাপক নুরুল ইসলাম পরিকল্পনা কমিশন ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। অধ্যাপক মোশাররফ হোসেনও। (লক্ষণীয়, সদস্যগণ মিশনারি উদ্যম নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধুর একান্ত অনুরাগী হিসেবে কেউ কেউ নিজেকে প্রতিষ্ঠাও করেছেন, চার মাস পূর্তির আগেই সরে পড়তে চাইছেন।)                        

১৮.৪.৭২ : আমলারা মন্ত্রীদের মাধ্যমে লবি করছেন যে প্ল্যানিং কমিশনের প্রধান একজন সরকারি প্রশাসক হওয়া প্রয়োজন।

২২.৪.৭২ : প্রধানমন্ত্রী নুরুল ইসলামকে (কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান) রেগে ফোন করেন পরিকল্পনা কমিশন রাষ্ট্রপতির অর্ডারের অধীনে টেলিভিশনের ওপর একটি কমিটি করে তার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। লিখিত ব্যাখ্যা চাই।

২৪.৪.৭২ : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ :

১. পরিকল্পনা কমিশনের কার্যকারিতার পথে বাধার সময়ে তাকে অবহিত করা হয়েছে।

২. টিভি কমিটি নিয়ে স্ক্যান্ডালের ব্যাখ্যা। পদত্যাগ প্রত্যাহার করতে হলো।

৩. পরিকল্পনা সচিব বদলানো হবে।

(পদত্যাগ প্রত্যাহার করতে হলো-আনিসুর রহমান পদত্যাগপত্র দাখিল করেছিলেন।)

২৬.০৪.৭২ : শেখ মুজিব ফোন করেন (সম্ভবত অধ্যাপক ইসলামকে)... অনুরোধ করেন যেন তাকে আমরা অপ্রতিভ না করি।

‘পিপল’ পত্রিকা আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করে আমি পদত্যাগ করেছি কি না।

২৮.৪.৭২ : এম কে আনোয়ার (আলোচনা)- ব্যুরোক্রেসি জোরেশোরে প্রেসকে হাত করবার চেষ্টা করছে পরিকল্পনা কমিশনের বিরুদ্ধে কলঙ্ক রটাতে। এ রকম মিথ্যাও যে পরিকল্পনা কমিশন অফিস বিল্ডিং নির্মাণ করবার জন্য লাখ লাখ টাকা চেয়েছে।

৩০.৪.৭২ : সাপ্তাহিক ‘ওয়েভ’ পত্রিকা এবং ‘এক্সপ্রেস’ (২৪.৪.৭২) পরিকল্পনা কমিশনের সমর্থনে এবং ব্যুরোক্রেসির বিরুদ্ধে আর্টিকেল লিখেছে।

৬.৫.৭২ : বিশ্বব্যাংক মিশন কনসরসিয়াম চায়। পরিকল্পনা কমিশন এর বিরুদ্ধে। মনে হয় শেষ পর্যন্ত এডহক এইড গ্রুপে রক্ষা হবে।

১১.৫.৭২ : মার্কিন সাহায্য টিম পরিকল্পনা কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসে। প্রোপাগান্ডার জন্য দ্বিপক্ষীয়ভাবে সাহায্য দিতে চায়।

২০.৫.৭২ : স্বরাষ্ট্র সচিব ১৬ মে তারিখে অবজারভার পত্রিকায় স্পষ্টত পরিকল্পনা কমিশনকে আক্রমণ করে লিখেছেন। ফয়জুর রাজ্জাক পরিকল্পনা কমিশনকে সার্ভিস দিচ্ছেন বলে তার সিভিল সার্ভিস কলিগরা এতে তার ক্যারিয়ারের ক্ষতি হবে বলে শাসিয়েছেন।

১১.৬.৭২ : প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক নুরুল ইসলামকে বলেন, তিনি একজন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা নিয়োগের কথা ভাবছেন।

১৬.৬.৭২ : পুলিশের আইজি অধ্যাপক মোশাররফের কাছে আসেন এবং পরিকল্পনা কমিশনের কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি করার কথা বলেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট প্ল্যানিং কমিশনকে না দেখিয়েই ক্যাবিনেটে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রেস বাজেটের সমালোচনা করেছে এই বলে যে এটি কল্যাণ বাজেট, সমাজতন্ত্রী বাজেট নয়। ‘হলিডে’ পত্রিকা এটি একটি প্রতিক্রিয়াশীল বাজেট বলে পরিকল্পনা কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেছে।

১.৮.৭২ : সংবাদ ও দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি এসে প্রশ্ন করেন, পরিকল্পনা কমিশনের দুজন সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরত যাওয়ার কথা ভাবছেন কেন? আরও জিজ্ঞেস করেন এর সঙ্গে তাজউদ্দীনের পদত্যাগের গুজবের কোনো যোগাযোগ আছে কি না? ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন।

১৮.৯.৭২ : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিকল্পনা কমিশন : মন্ত্রীরা পরিকল্পনা কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন পরিকল্পনা কমিশন তাদের কাছে খুব বেশি ইনটারফিয়ারেন্স করছে। পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনা করা হয়ে গেলে পরিকল্পনা কমিশনের আর কোনো ভূমিকা থাকা উচিত নয়। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রয়োজন মতো টাকা রিলিজ করবে।

২৩.১০.৭২ : শেখ মনি ‘বাংলার বাণী’ পত্রিকায় পরিকল্পনা কমিশনের ওপর একটি সিরিজ লিখছে। বলছে যে পরিকল্পনা করার আগে রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে গাইডেন্স নেওয়া উচিত।

৪.১.৭৩  : (পরিকল্পনা সচিব) রব্বানীর বিদায় অনুষ্ঠান। রব্বানী অত্যন্ত মেধাবী একদল বিশেষজ্ঞকে একত্র করবার জন্য পরিকল্পনা কমিশনকে প্রশংসা করেন।

১৬.১.৭৩ : খাদ্য-সংকট এগিয়ে আসছে। ১৯৪৩ সালের চেয়ে ভয়াবহ মন্বন্তরের আশঙ্কা যদি বড় আকারের মার্কিন সাহায্য না আসে।

৩১.১.৭৩ : রব্বানীর ফেয়ারওয়েলের দিন নাকি (নতুন পরিকল্পনা সচিব) তার কলিগদের জড়ো করে অধ্যাপক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তীব্র বিষোদগার করেন। (নতুন পরিকল্পনা সচিব হচ্ছেন ডক্টর সাত্তার, সিএসপি)

১৯.৩.৭৩ : পরিকল্পনা কমিশনের সঙ্গে নতুন চেয়ারম্যানের (তিয়াত্তরের সাধারণ নির্বাচনোত্তর প্রধানমন্ত্রী) প্রথম বৈঠকে। (আলোচনায় পরিকল্পনা কমিশনের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হয়েছে বলে মনে করার কারণ রয়েছে) প্রধানমন্ত্রী বলেন যে পরিকল্পনা কমিশনের ওপর তার পূর্ণ আস্থা আছে।... কিন্তু তিনি পরিকল্পনা কমিশন-বিরোধী প্রবল লবি সত্ত্বেও এই কমিশনকে ধরে রাখতে চাইছেন- কেন?

২০.৪.৭৩ : পরিকল্পনা কমিশন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে... (প্রধানমন্ত্রী) বলেন যে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা স্থগিত রেখে আর্মিকে ডাকবেন খাদ্যসামগ্রী মুভ করবার জন্য।

২.১০.৭৩ : প্রধানমন্ত্রী আমাকে (পরিকল্পনা কমিশন থেকে) ছেড়ে দিলেন।

৪.১০.৭৩ : পরিকল্পনা কমিশনে আমার বিদায়ী ভাষণ।

লেখক: সরকারের সাবেক কর্মকর্তা ও কলামিস্ট

momen98765@gmail.com