ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার তাদের টানা চলতি তিন মেয়াদে ৮২টি বেসরকারি এবং ৩২টি রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মোকাব্বির খানের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসে। অর্থাৎ গত ১৪ বছরে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এ ক্যাপাসিটি চার্জ পেয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে। রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করা হয়েছে অ্যাগ্রেকো ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্টকে।
তিনি ৮২টি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ৩২টি রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামের তালিকা এবং তাদের দেওয়া ক্যাপাসিটি চার্জের তালিকা তুলে ধরেন।
ডেঙ্গু ও মশারি নিয়ে মন্ত্রী ও জাপা এমপির বাহাস : ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের সঙ্গে সংসদে বাহাস হয়েছে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য (এমপি) শামীম হায়দার পাটোয়ারীর। জাতীয় পার্টির এমপি তার বক্তব্যে বলেন, ‘এক কোটি মশারি বিতরণ করলেই ডেঙ্গু অর্ধেক কমে যাবে। কারণ যে রোগীর ডেঙ্গু হয়, তাকে যে মশা কামড় দেবে, ওই মশা সুস্থ মানুষকে কামড় দিলে তারও ডেঙ্গু হবে। এ সহজ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে ৫০ শতাংশ মৃত্যু কমে যাবে।’
শামীম পাটোয়ারী বলেন, ‘ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে মশা মারতে প্রয়োজনে কামান দাগাতে হবে।’ এর জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা শহরে মশারি কেনার সামর্থ্য নেই এমন মানুষ আছে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু মশারি ব্যবহার না করার প্রবণতা আছে।’