তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ৪২ ধারা প্রয়োগ : আইনমন্ত্রী

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৪২ ধারায় পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে আপত্তির মুখে এ ধারার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘পুলিশের কাজ হলো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সেটা বন্ধ করা, অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচারে সোপর্দ করা এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা। এটি করতে গেলে তাৎক্ষণিক সাক্ষ্যপ্রমাণের প্রয়োজনে কেবল ৪২ ধারার প্রয়োগ করা হবে।’ গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার বিজেসির চতুর্থ সম্প্রচার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে অপব্যবহার হয়েছে তা সরকার সবসময় স্বীকার করেছে। এ আইনে ৭ হাজার ১টি মামলা হয়েছে। এখন আছে ৫ হাজার ৯৯৫টি মামলা। এই মামলার শতকরা ৯৫ ভাগ করেছে জনগণ। এর মধ্যে হয়তো রাজনীতিবিদরাও আছেন, কিন্তু যখন দেখা গেল এ আইনের কিছুটা অপব্যবহার করা হচ্ছে তখন কিন্তু সরকার এটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছে। প্রথম দফা আলাপে সরকার এটাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করেছে। এখানে যেসব যৌক্তিক আপত্তি পাওয়া গেছে, সেগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘বিএফইউজের বেশ কয়েকটি পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। মিথ্যা মামলার বিষয়ে তাদের যে পরামর্শ ছিল, সেটা নেওয়া হয়েছে। ২১ ধারার বিষয়ে বিএফইউজে থেকে যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন ৪২ ধারা নিয়ে একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজেসির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক রাজা।