ঢাকায় আব্বাস সিলেটে আরিফের বাড়িতে ককটেল হামলা

রাজধানী ঢাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের এবং সিলেটে নগরীটির সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরীর বাসভবন লক্ষ্য করে ককটেল হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসের বাড়িতে সকাল ৮টার দিকে এবং আরিফুল হক চৌধুরীর বাসভবনে রাত সাড়ে ৮টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে।

মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস জানান, দুই মোটরসাইকেল আরোহী তাদের শাহজাহানপুরের বাসভবন লক্ষ্য করে দুটি ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যায়। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিস্ফোরণে আমাদের পুরো বাড়ি ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। কিছুক্ষণ পর বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরা হামলাকারীদের ধরতে গেলে হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।’

নিরাপত্তাকর্মীরা বাসার সামনে পুলিশের পোশাক পরা ছয় থেকে আটজনসহ তিন-চারটি মোটরসাইকেল দেখতে পায়। তাদের ঘটনাটি জানানো হলে তারা হামলাকারীদের চলে যেতে বলেন বলে অভিযোগ করেন আফরোজা আব্বাস।

এ ব্যাপারে পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শাহজাহানপুর এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের পর সেখানে কী ঘটেছে তা আমরা বলতে পারব।’

সিলেটের কুমারপাড়া এলাকায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসভবনের ফটকের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, কালো কোট ও সাদা গেঞ্জি পরা দুই যুবক গলির ভেতর থেকে এসে বাসার প্রধান ফটকে পরপর কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ওই দুই যুবক পালিয়ে যায়। এ সময় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি কাজে আমার খামারে ছিলাম, রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমার স্ত্রী ফোন করে বলেন বাসায় ককটেল ছোড়া হচ্ছে। পরে আমি বাসায় এসেছি। আমি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। সম্প্রীতির শহরে এসব বিষয় কাম্য নয়। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সম্প্রীতির শহরে এসব বিষয় ছিল না।’

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘তিনটি হাতবোমা ছুড়লে দুটি বিস্ফোরিত হয়েছে, এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।’