যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গত শনিবার থেকে গতকাল রবিবার পশ্চিম তীরে সাত ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ খবর জানায়। গাজায় মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি কৃষক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গতকাল চার দিনের যুদ্ধবিরতির তৃ তীয় দিনে ইসরায়েলের কারাগার থেকে ৩৯ ফিলিস্তিনির মুক্তির বিনিময়ে ১৩ ইসরায়েলি জিম্মিকে ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ ছাড়া হামাস এক রুশ জিম্মিকেও ছেড়ে দিয়েছে। যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াতে কাতার কাজ করছে বলে জানিয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত শনিবার থেকে গতকাল রবিবার সকাল পর্যন্ত ইসরায়েলিরা পশ্চিম তীরে সাতজনকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে জেনিন শরণার্থীশিবিরে রাতের দিকে আক্রমণ চালিয়ে পাঁচ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটকও করে তারা। নাবলুস ও এল বিরেহ শহরে একজন করে নিহত হয়েছে।
জেনিনে হামলার সময় ইসরায়েলিরা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছোড়ে এবং রেডক্রিসেন্টের স্বাস্থ্য অবকাঠামো লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। অন্যদিকে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিকে হত্যা করার পর য্দ্ধুবিরতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা পরিষ্কার নয়। এর মধ্যে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, আজ সোমবারই যুদ্ধবিরতির শেষ দিন। এরপর আবারও ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা শুরু হচ্ছে কি না, তা নিয়ে সবাই আতঙ্কে। যদিও গত রবিবার মিসর দাবি করেছিল, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে আলোচনা করতে ইসরায়েল সফরে গেছে কাতারের একটি প্রতিনিধিদল। গত শনিবার ইসরায়েল সফরে যায় দলটি। এদিকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গাজা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে বড় বিক্ষোভ হয়েছে। কাতারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী লোলওয়াহ রশিদ আল-খাতের বলেছেন, ‘গাজায় আরও মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়তে পারে। আমরা আশা করছি, গাজায় সফল মানবিক যুদ্ধবিরতির সময় বাড়বে। এর মধ্য দিয়ে অন্যান্য গোষ্ঠীকে আরও সহায়তা নিয়ে গাজায় যাওয়ার সুযোগ করে দেবে।