মাত্র পাঁচ বছর বয়সে হত্যা করা হয় বাবাকে। মায়ের স্বপ্নে নিজেই আইনজীবী হয়ে বাবা হত্যা শাস্তি নিশ্চিত করেছেন ছেলে আবু নাছের। সেই মামলায় ২৫ বছর পর চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা ভাউকসার ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ওই উপজেলার পরানপুর গ্রামের আবু ইউছুফ, তার ভাই বনি আমিন, ভাতিজা সোলায়মান, শ্যালক আব্দুল। যাবজ্জীবন প্রাপ্ত রজ্জবী বিবি আসামি ইউসুফের বড় বোন। এ ছাড়া এই মামলায় ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয় বলে জানান আইনজীবী।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রোজিনা পাঁচ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নূরুল ইসলাম।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২১ মে দিনের বেলায় ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহীদ উল্ল্যাহর সঙ্গে আসামিদের কথা কাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার জেরে সেদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামিরা ব্যবসায়ী শহীদকে উপজেলার পরানপুর বাজারের পশ্চিম পাশে বিরোধপূর্ণ জমিতে ডেকে নিয়ে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এই মামলার আইনজীবী আবু নাছের বলেন, আমার মায়ের স্বপ্ন পূরণ করেছি। আমি আইনজীবী হয়ে আমার বাবার খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরেছি।