দিনভর সূর্যের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু ঢাকা শহরে গতকাল শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও বছরের এ সময় থাকার কথা ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ, কমছে না তাপমাত্রা। এ চিত্র শুধু ঢাকা শহরেই নয়, সারা দেশের আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে মেঘ, এতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ঠিক থাকলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমছে না। আর এতে রাতেও গরম লাগছে।
কবে নাগাদ তাপমাত্রার পারদ কমবে জানতে চাইলে গতকাল আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আকাশে মেঘের আবরণ থাকায় তাপমাত্রা কমছে না। তাই সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপামাত্রা বেশি রয়েছে এবং গরম অনুভূত হচ্ছে।’
কবে নাগাদ মেঘের আস্তরণ কেটে যাবে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল রবিবার থেকে সারা দেশে মেঘের প্রভাব কমে আসবে এবং এতে শীতের তীব্রতা কিছুটা বেড়ে আসবে।’
কিন্তু আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রা কমে আসবে এবং এক বা একাধিক মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া রাতের তাপমাত্রা কমে আসতে পারে।
এদিকে গতকাল দিনভর দেশের বেশিরভাগ এলাকায় সূর্যের দেখা পাওয়া যায়নি। ঢাকা শহরে সারা দিনই মেঘলা আকাশ ছিল। চট্টগ্রামে দুপুরের পর সূর্যের দেখা পাওয়া গেলেও বিকেলে আবারও পুরো আকাশ মেঘে ছেয়ে যায়। আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি বাতাসের প্রবাহ ছিল। এতে শীতের অনুভব বেড়েছে। সাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাতের কারণে পুরো দেশের আকাশে মেঘের প্রভাব বেড়ে যায়। আজ থেকে এই মেঘ কাটতে শুরু করবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ফলে আগামীকাল রবিবার থেকে সারা দেশে তাপমাত্রা কমে আসবে।
কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এলে সেই এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং ৬ ডিগ্রির নিচে হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়।