সাইফার মামলায় ইমরানের মৃত্যুদন্ডের আশঙ্কায় পরিবার

সাইফার তথা কূটনৈতিক গোপন নথি ফাঁসের মামলায় মৃত্যুদণ্ড হতে পারে তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। এই আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন তার বোন আলিমা খান। পাঞ্জাবের আদিয়ালা কারাগারের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই শঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি কারাগারের ভেতর ইমরানের বিচার কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

চলতি সপ্তাহে ইমরান খানকে গোপন নথি ফাঁসের মামলায় নতুন করে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অবশ্য ইমরান এই মামলায় নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তিনি কূটনৈতিক বার্তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করেছেন।

বর্তমানে ইমরান খানের বিচার চলছে আদিয়ালা কারাগারে। সেখানে রুদ্ধদ্বার বিচারই চলছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের এক রায়ে তার উন্মুক্ত বিচার শুরু হয়। তবে সেই বিচার নিয়েও চলছে বিতর্ক। অভিযোগ রয়েছে, খুব সীমিত সংখ্যক সাংবাদিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে চলছে এই বিচার।

এ নিয়ে আলিমা খান বলেন, ‘আমাদের কোনো ভয় নেই। কিন্তু গণমাধ্যম ছাড়া তো কোনো বিচার সুষ্ঠু হয় না। গণমাধ্যমের লোকদের আদালতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না যা বিশেষ কিছু ঘটার বার্তা দেয়।’ এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, তার আশঙ্কা তাকে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই মামলায় মৃত্যুদন্ডের সাজা দেওয়া হতে পারে।

এদিকে ইমরান খান গত বুধবার একটি আবেদন জমা দিয়েছেন যেখানে তিনি বলেন, ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমির ফারুককে যেন তার মামলার সব কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বরাবর দাখিল করা আবেদনে ইমরান এই অনাস্থা প্রকাশ করেন। আবেদনে ইমরান বলেন, ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর থেকে ইমরান খানসংশ্লিষ্ট সব মামলার একক ও ডিভিশন বেঞ্চের শুনানিতে নিজেকে যুক্ত করছেন আমির ফারুক।