সাড়ে ৫ মাসে করোনার সর্বোচ্চ শনাক্ত হার

দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় গত সাড়ে পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত হারের রেকর্ড হয়েছে। এ সময় ৩৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা অনুপাতে শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

এর আগে তার চেয়ে বেশি শনাক্ত হার ছিল গত বছরের ২৬ জুলাই, ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। সেদিন ৬৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করে রোগী শনাক্ত হয়েছিল ৩৮ জন।

এ বছরের শুরু থেকেই করোনার সংক্রমণ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। বছরের শুরুর দিন শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ ও রোগী ছিল ২০ জন। সেখান থেকে বাড়তে বাড়তে গতকাল শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।

এ নিয়ে চলতি বছরের গত ১০ দিনে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬৭ জন। দৈনিক গড় রোগী ১৬ জনের বেশি। গত বছরের শেষ ১০ দিনে রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১০৪ জন। সে হিসেবে গত বছরের শেষ ১০ দিনের চেয়ে এ বছরের প্রথম ১০ দিনে ৩৮ শতাংশ রোগী বেড়েছে।

আবার ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন

মাঝখানে একদিন বাদ দিয়ে আবার ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন ছিল গতকাল। গত ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যায়নি। আগের দিন মঙ্গলবার একজন মারা যায়। তার আগের টানা চার দিন মৃত্যুশূন্য ছিল। সে হিসেবে চলতি বছরের গত ১০ দিনের মধ্যে ছয় দিনই ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য ছিল। বাকি চার দিনে চারজন মারা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮ জন ভর্তি হয়েছে ঢাকায়। আর ৪১ জন ঢাকার বাইরে। এ নিয়ে চলতি বছর রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫৪৪ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় রোগী ২০২ ও ঢাকার বাইরে ৩৪২ জন।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ৩৬৬ ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ঢাকায় ভর্তি ১৮৫ ও ঢাকার বাইরে ১৮১ জন।

এ বছর মোট রোগীর ৬৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩১ শতাংশ নারী। কিন্তু এখন পর্যন্ত পুরুষ রোগীদের কেউ মারা যায়নি। যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে তারা সবাই নারী।