নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪৪ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। গত বুধবার রাতে দাউদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ওরফে জাহাঙ্গীর মাস্টার রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ থানার ওসি দীপঙ্কর চন্দ্র সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানান তিনি।
গত মঙ্গলবার দুপুরে হামলার সময় চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর মাস্টারের গাড়িসহ অন্তত পাঁচটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তার কার্যালয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও ভাঙচুর করে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। ভাঙা হয় কয়েকটি কক্ষের দরজা, জানালা ও এসি। এ সময় হামলাকারীরা লুটপাটও চালায়। এ হামলায় চেয়ারম্যানসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সব মিলিয়ে কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর মাস্টারের অভিযোগ, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (কেটলি) শাহজাহান ভূঁইয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি। সেই ক্ষোভ থেকে রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল এবং তার ভাই মিজানের ভাড়াটে ক্যাডাররা এ হামলা চালিয়েছে। এখনো এলাকার তারা (রফিক ও মিজান) নানাভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
রফিকুল ও মিজানকে কেন মামলার আসামি করা হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, তাকে (রফিক) আসামি করলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। এমনিতে ঘটনার পর থেকে তাদের হুমকিতে প্রাণনাশের ভয়ে আতঙ্কে আছি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক ইন্টিলিজেন্ট) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, বেআইনিভাবে জনসমাগম, জখম, হামলা ও অগ্নিসংযোগের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।