গলাব্যথা, ঢোক গিলতে সমস্যা

শীতের সময়টাতে অনেকেই সর্দি, কাশি, গলাব্যথার সমস্যায় ভোগেন। গলাব্যথার কারণে কথা বলতে, ঢোক গিলতে খুবই কষ্ট হয়। অতিরিক্ত ব্যথা হলে গলা অনেক সময় ফুলেও যায়। গলার ব্যথা দ্রুত দূর করা যায় না। একবার শুরু হলে পুরোপুরি সারতে অনেক সময় নেয়। তবে, গলাব্যথার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু ঘরোয়া উপায় বেছে নিতে পারেন। 

গলাব্যথা কমাতে অনেক আগে থেকেই হলুদ ব্যবহার হয়। এক গ্লাস দুধে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এবার এই গরম দুধ পান করুন। আদা চা গলাব্যথা সারাতে ভালো কাজ করে। চায়ের পানিতে ফ্রেশ আদা থেঁতো করে দিয়ে দিন। তুলসী সর্দি, কাশি, গলাব্যথা সারাতে দারুণ কার্যকর। এক গ্লাস পানিতে কয়েকটা ফ্রেশ তুলসী পাতা, গোলমরিচ, লবণ ও আদা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। কিছুক্ষণ ফোটানোর পর ছাঁকুন। এটি গরম গরম পান করুন। লেবুর পানিও গলাব্যথা কমায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে একটি লেবুর রস মেশান। আপনি চাইলে এতে অল্প চিনি মেশাতে পারেন। গরম অবস্থায় পানিটা পান করুন। গলাব্যথা এবং ঠান্ডা কমাতে পুদিনা পাতাও ভালো কাজ দেয়। এক কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে কিছুক্ষণ ফোটান। তারপর এটি গরম থাকা অবস্থায় পান করুন। এতে লবণ বা চিনি মেশাতে পারেন। চাইলে পাতাগুলো চিবিয়েও খাওয়া যায়। মধু পানি ঠান্ডা লাগা সারাতে খুবই কার্যকর। এক গ্লাস গরম পানিতে দুই চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।

আপেল সাইডার ভিনেগার গরম পানিতে মিশিয়ে গার্গল করলে ব্যথা উপশম হয়, পাশাপাশি গলাব্যথা নিরাময়ে করে। এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে। এক গ্লাস গরম পানি দুই চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে কিছুক্ষণ গার্গল করুন। এতে স্বস্তি পাবেন। লবণ পানি গলাব্যথা উপশম করার সবচেয়ে দ্রুত এবং কার্যকর উপায়। প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে লবণ পানি। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ লবণ দিন। লবণ দ্রবীভূত না হওয়া পর্যন্ত চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন। লবণ পানি দিয়ে প্রতিদিন গার্গল করুন। এক বাটি গরম স্যুপ গলাব্যথা উপশম করতে পারে।