মুখের এত পরিচর্যা সত্ত্বেও ঘাড় এবং গলা কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবহেলিত থেকে যায়। কালচে ঘাড় এবং গলা হওয়ার প্রাথমিক কারণ হলো, দুর্বল স্বাস্থ্যবিধি। তা ছাড় প্রসাধনী দ্রব্যে থাকা রাসায়নিক, দূষণ, ডায়াবেটিস প্রভৃতিও এর অন্যতম কারণ হতে পারে। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতিতেই গলা-ঘাড়ের কালচে স্পট হালকা করতে পারেন। তাহলে জেনে নিন কিছু সহজ উপায়
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা, ত্বকে পিগমেন্টেশন সৃষ্টিকারী এনজাইমের কার্যকলাপকে বাধা দেয় এবং ত্বকের বর্ণ হালকা করে। এ ছাড়া অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পুষ্ট করার পাশাপাশি, হাইড্রেটেড রাখতেও সহায়ক। পাতা কেটে, অ্যালোভেরা জেল বের করে তারপর ওই জেল ঘাড় এবং গলায় দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন। তারপর ২০ মিনিট রেখে ঠা-া পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ত্বকের চঐ লেভেল বজায় রাখতে সহায়তা করে। এতে ম্যালিক অ্যাসিডের উপস্থিতি, ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করে তোলে। দুই টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে চার টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে নিন। তারপর তাতে তুলা ভিজিয়ে ঘাড় এবং গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট রেখে, ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করুন।
বেকিং সোডা ময়লা অপসারণের পাশাপাশি ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্ট করতেও অত্যন্ত সহায়ক। প্রথমে দুই চামচ বেকিং সোডা নিয়ে তাতে সামান্য পরিমাণে পানি মিশিয়ে, একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। তারপর ঘাড় এবং গলায় পেস্টটি ভালো করে লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর ভেজা হাতে এটা স্ক্রাব করে, পানি দিয়ে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহার করা যেতে পারে।
আলুর রস আলুতে ব্লিচিং প্রপার্টি বর্তমান, যা ত্বকের বর্ণ হালকা করে। একটি ছোট আলু ঘষে, তার থেকে রস বের করে নিন। তারপর ওই রসে তুলা ভিজিয়ে, ঘাড়ে এবং গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
দইয়ে প্রাকৃতিক এনজাইম উপস্থিত, যা লেবুর অ্যাসিডের সঙ্গে মিশে কাক্সিক্ষত ফলাফল দেয়। ত্বককে পুষ্টি জোগায় এবং মসৃণ রাখতেও সহায়তা করে। দুই টেবিল চামচ দই এবং এক চা চামচ লেবুর রস নিয়ে ভালো করে মেশান। তারপর ঘাড় এবং গলায় লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে, পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।