পাকিস্তানকে সংকট থেকে বের করে আনতে মুসলিম লিগ-নওয়াজকে (পিএমএল-এন) সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ। বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দেশটির জাতীয় পরিষদের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
এদিন লাহোরের একটি কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর মেয়ে ও দলের প্রধান সংগঠক মরিয়ম নওয়াজকে নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ইসতেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টির নেতা আউন চৌধুরী। এবারের নির্বাচনে লাহোরের এনএ-১৩০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নওয়াজ।
দেশে স্থিতিশীলতা আনতে একদলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যেখানে আছি, সেই দিনটির সাক্ষী হওয়ার জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। আমাদের এই অপব্যবহার ও অশ্লীলতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে।’
নির্বাচনের পরে সরকার গঠন এবং তার সরকারের অগ্রাধিকার কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে নওয়াজ বলেন, ‘একটি দলকে অন্যের ওপর নির্ভর না করে স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে। আল্লাহর দোহাই! জোট সরকারের কথা বলবেন না। একদলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
নওয়াজ এবারের নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে চতুর্থ মেয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া দেশটিতে প্রায় বিরোধীবিহীন নির্বাচন নিয়ে অনেক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যেহেতু এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না গত নির্বাচনে বিজয়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন তিনি।
এবার তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) যেসব প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাদের দলের নির্বাচনী প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন ও আদালত। ফলে নিজেদের মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এবং পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থীদের তুলনায় বেশ বেকায়দায় আছেন পিটিআই প্রার্থীরা।