কর্ণফুলী নদীর তীরে ২ হাজার ১৮১টি প্রদীপ জ্বালিয়ে দখল-দূষণের অভিনব প্রতিবাদ প্রদর্শন করেছে সর্বস্তরের জনগণ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় অভয়মিত্র ঘাটসংলগ্ন নদী তীরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও স্ট্র্যাটেজিক মাস্টারপ্ল্যান ২০১৪ অনুযায়ী কর্ণফুলীর নাব্যতা রক্ষার দাবিতে স্থাপিত প্রতিবাদ মঞ্চের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান প্রদীপ প্রজ্বালন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, এই প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে কর্ণফুলী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করার জনগণের দাবি আবারও উচ্চকণ্ঠে উচ্চারিত হলো। তিনি বলেন, জনগণের প্রতিরোধের মুখে কর্ণফুলী দখল করে অবস্থান নেওয়া দুর্বৃত্তদের পালাতে হবে।
প্রতিবাদ মঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিবর্তে নতুন করে দখল করা হচ্ছে। বন্দরের কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কর্ণফুলীকে ধ্বংস করছে। চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ এই প্রতিবাদ মঞ্চে একত্রিত হয়ে কর্ণফুলী খেকো দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে চট্টগ্রাম ছাড়া করবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার চট্টগ্রাম সমন্বয়ক মনিরা পারভিন রুবা, চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দাশ, অধ্যক্ষ মনোজ কুমার দেব, অধ্যক্ষ জনার্দন বণিক, রাজনীতিবিদ মিতুল দাশগুপ্ত, চট্টগ্রাম সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী, সহসভাপতি জাফর আহমদ, আরকেএস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী জাহেদুল করিম বাপ্পী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।